প্রবাসী

মালদ্বীপে ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল প্রবাসী বাংলাদেশির

মো: দেলোয়ার হোসাইন মার্চ ১৯, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

মালদ্বীপে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে আব্দুল আলীম (২৯) নামের এক প্রবাসী বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। সম্প্রতি দেশটিতে অগ্নিকাণ্ডে পাঁচ বাংলাদেশির মৃত্যুর ঘটনার পর নতুন করে এই মৃত্যুতে প্রবাসী মহলে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

 

মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) বাংলাদেশ হাইকমিশনের কল্যাণ সহকারী আল মামুন পাঠান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

হাইকমিশন সূত্রে জানা যায়, মালের ইন্দিরা গান্ধী মেমোরিয়াল হাসপাতালে গত এক সপ্তাহ ধরে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন ছিলেন আব্দুল আলীম। সোমবার (১৬ মার্চ) সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

নিহত আব্দুল আলীম টাঙ্গাইল জেলার মির্জাপুর উপজেলার গোড়াই ইউনিয়নের বাসিন্দা। তিনি ২০১৮ সালে জীবিকার তাগিদে মালদ্বীপে যান এবং সেখানে একটি রেস্টুরেন্টে শেফ হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

হাইকমিশন জানায়, মৃতের মরদেহ কোম্পানি ও তাদের সহযোগিতায় শ্রীলঙ্কান এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে দেশে পাঠানো হচ্ছে। মরদেহ দেশে পৌঁছানোর পর বিমানবন্দর থেকে তা গ্রহণ করবেন তার ভগ্নীপতি মো. আলমগীর হোসেন।

পরিবারের সদস্যদের ভাষ্য, বেশ কিছুদিন ধরে জ্বরে ভুগছিলেন আলীম। অবস্থার অবনতি হলে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তবে শেষ পর্যন্ত চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

এদিকে পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তিকে হারিয়ে চরম অনিশ্চয়তায় পড়েছে তার পরিবার। এ অবস্থায় পরিবারের পক্ষ থেকে সরকারের কাছে আর্থিক সহায়তার আবেদন জানানো হয়েছে।

 

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

প্রবাসী

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
মালয়েশিয়ায় ইমিগ্রেশনের অভিযানে বাংলাদেশিসহ ২৪ অবৈধ অভিবাসী আটক

মালয়েশিয়া-এর জোহর রাজ্য-এ অভিবাসন বিভাগের এক অভিযানে ৮ বাংলাদেশিসহ মোট ২৪ জন অবৈধ অভিবাসীকে আটক করা হয়েছে। শুক্রবার এক বিবৃতিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে দেশটির ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ।   বিবৃতিতে জানানো হয়, গত মঙ্গলবার রাতে বাতু পাহাত এলাকায় ১১টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও আবাসিক ভবনে একযোগে অভিযান পরিচালনা করা হয়।   জোহর ইমিগ্রেশন বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ রুশদি মোহাম্মদ দারুস জানান, রাত ৮টা থেকে শুরু হওয়া এই অভিযানে এনফোর্সমেন্ট শাখার কর্মকর্তারা অংশ নেন। যেসব প্রতিষ্ঠান অবৈধ কর্মী নিয়োগ দিচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়াই ছিল এই অভিযানের মূল উদ্দেশ্য।   অভিযান পরিচালিত স্থানগুলোর মধ্যে ছিল খাবারের দোকান, টায়ার শপ এবং দুটি আবাসিক ভবন। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত এ অভিযানে আটক ব্যক্তিরা বৈধ কোনো নথিপত্র দেখাতে ব্যর্থ হন।   আটকদের মধ্যে ১৪ জন পুরুষ এবং ১০ জন নারী রয়েছেন। তাদের মধ্যে বাংলাদেশ, মিয়ানমার, নেপাল, ইন্দোনেশিয়া, কম্বোডিয়া এবং ভিয়েতনাম-এর নাগরিক রয়েছেন। তাদের বয়স ২০ থেকে ৪৫ বছরের মধ্যে।   ইমিগ্রেশন বিভাগ জানিয়েছে, তারা মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন আইন ১৯৫৯/৬৩ এবং সংশ্লিষ্ট বিধিমালা লঙ্ঘন করে অবৈধভাবে দেশটিতে অবস্থান ও কাজ করছিলেন।   আটকদের পরবর্তী তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়ার জন্য সেটিয়া ট্রপিকা ইমিগ্রেশন ডিপো-তে পাঠানো হয়েছে।   কর্তৃপক্ষ সতর্ক করে জানিয়েছে, অবৈধ অভিবাসীদের পাশাপাশি তাদের নিয়োগদাতা ও আশ্রয়দাতাদের বিরুদ্ধেও কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আক্তারুজ্জামান এপ্রিল ১০, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া বৈঠক: উচ্চশিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়নে সহযোগিতা জোরদারের অঙ্গীকার

ছবি: সংগৃহীত

থাইল্যান্ডে রিসোর্টে গোপনে আটকে রাখা ২১ বাংলাদেশি উদ্ধার

ছবি: সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যে আটকে পড়া প্রবাসীদের সরকারি খরচে ফেরানোর ঘোষণা পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

ছবি: সংগৃহীত
মালয়েশিয়ায় কারখানায় আকস্মিক অভিযান: ৭৯ বাংলাদেশি কর্মী আটক

মালয়েশিয়ার পেরাক অঙ্গরাজ্যে ইমিগ্রেশন পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৭৯ জন বাংলাদেশি প্রবাসী কর্মী আটক হয়েছেন। ভিসা ও পাসপোর্টের শর্ত ভঙ্গ এবং নির্ধারিত সময়ের বেশি অবস্থানের অভিযোগে গতকাল বুধবার দিবাগত রাতে তাঁদের আটক করা হয়। মালয়েশিয়ার স্থানীয় বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের খবরে বাংলাদেশি এই কর্মীদের আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।   সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পেরাক অঙ্গরাজ্যের চেমোরের কানথান শিল্প এলাকায় গতকাল সন্ধ্যা সাতটা থেকে এই যৌথ অভিযান শুরু হয়। ইমিগ্রেশন বিভাগের পাশাপাশি দেশটির শ্রম বিভাগ (জেটিকে), পুলিশ (পিডিআরএম), জেনারেল অপারেশন ফোর্স (পিজিএ) এবং জাতীয় নিবন্ধন বিভাগের (জেপিএন) সদস্যরা এই অভিযানে অংশ নেন। মূলত কর্মীদের কর্মঘণ্টার শিফট পরিবর্তনের সময় আকস্মিক এই অভিযান চালানো হয়।   পেরাক ইমিগ্রেশন বিভাগের পরিচালক জেমস লি জানান, তল্লাশি চালিয়ে প্রথম কারখানা থেকে ৫৬ জন এবং দ্বিতীয় কারখানা থেকে বাকি ২৩ জন বাংলাদেশিকে আটক করা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, আটক কর্মীরা মালয়েশিয়ায় প্রবেশের ক্ষেত্রে ভিজিট পাসের অপব্যবহার করেছেন এবং অনেকেই ভিসার নির্ধারিত মেয়াদের চেয়ে বেশি সময় ধরে সেখানে অবস্থান করছিলেন। এ ছাড়া একই মূল কোম্পানির অধীন কারখানা দুটি অন্য কোম্পানি বা খাতে নিবন্ধিত বিদেশি কর্মীদের অবৈধভাবে নিজেদের প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ দিয়েছিল বলেও সন্দেহ করা হচ্ছে।   আটক এসব বাংলাদেশির বিরুদ্ধে ১৯৬৩ সালের ইমিগ্রেশন বিধিমালার ৩৯বি ধারায় তদন্ত ও আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছেন জেমস লি। এর পাশাপাশি দেশটির শ্রম বিভাগও তাদের নিজস্ব আইনের আওতায় এই ঘটনার তদন্ত করবে। ইমিগ্রেশন বিভাগ জানিয়েছে, গত বছরের পর এ নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো কারখানা দুটিতে অভিযান চালানো হলো। তাই অবৈধভাবে বিদেশি কর্মী নিয়োগের দায়ে সংশ্লিষ্ট নিয়োগকর্তাদের বিরুদ্ধেও এবার কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আক্তারুজ্জামান এপ্রিল ০৯, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার নিয়ে বড় সুখবর: কর্মী নিয়োগে স্বচ্ছতা ও অভিবাসন ব্যয় কমানোর ঘোষণা

ছবি: সংগৃহীত

মালদ্বীপে বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস উদ্‌যাপন: উন্নয়নের প্রশংসায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খালিল

ছবি: সংগৃহীত

নিউইয়র্কে সড়ক দুর্ঘটনায় তিন বাংলাদেশির মৃত্যু, আহত ২

ছবি: সংগৃহীত
মালয়েশিয়ার দুই কারখানায় অভিযান: ৭৯ বাংলাদেশি আটক

মালয়েশিয়ার পেরাক রাজ্যের দুটি রাবার গ্লাভস কারখানায় অভিযান চালিয়ে ৭৯ জন বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করেছে দেশটির অভিবাসন বিভাগ (জেআইএম)।   বুধবার সন্ধ্যায় চেমোর এলাকার কান্থান ইন্ডাস্ট্রিয়াল এস্টেটে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এতে অভিবাসন বিভাগের পাশাপাশি জনশক্তি বিভাগ, রয়্যাল মালয়েশিয়া পুলিশ, জেনারেল অপারেশনস ফোর্স এবং জাতীয় নিবন্ধন বিভাগ অংশ নেয়।   অভিযানের সময় প্রথম কারখানা থেকে ৫৬ জন এবং পরবর্তীতে দ্বিতীয় কারখানা থেকে শিফট পরিবর্তনের সময় আরও ২৩ জনকে আটক করা হয়। আটককৃত সবাই বাংলাদেশি নাগরিক বলে জানানো হয়েছে।   পেরাক অভিবাসন বিভাগের পরিচালক জেমস লি জানান, প্রাথমিকভাবে তাদের বিরুদ্ধে ভিজিট পাসের অপব্যবহার এবং নির্ধারিত সময়ের বেশি অবস্থান (ওভারস্টে) করার অভিযোগ রয়েছে।   তিনি আরও বলেন, একই মূল কোম্পানির অধীনে পরিচালিত দুটি কারখানায় অন্য কোম্পানি বা সেক্টরের নামে নিবন্ধিত বিদেশি কর্মীদের কাজ করানো হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।   আটক ব্যক্তিদের প্রয়োজনীয় তদন্তের জন্য অভিবাসন কার্যালয়ে নেওয়া হয়েছে। উল্লেখ্য, গত বছরও একই প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালানো হয়েছিল, যা এটি দ্বিতীয়বারের মতো বড় ধরনের অভিযান।   সূত্র: বারনামা

আক্তারুজ্জামান এপ্রিল ০৯, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

মালয়েশিয়া শ্রমবাজার পুনরায় চালুর উদ্যোগে বাংলাদেশি মন্ত্রীর কূটনৈতিক সফর

ছবি : সংগৃহীত

ভিসা আবেদনকারীদের জন্য ১৩ দেশের কড়া নির্দেশনা

ছবি : সংগৃহীত

ওমানে জনসাধারণের জন্য জরুরি নির্দেশনা

0 Comments