ডেনমার্কের রাজধানী কোপেনহেগেনে বিএনপির উদ্যোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জন্য দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (১৩ মার্চ) বায়তুল মোকাররম ডেনমার্ক জামে মসজিদে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে বিএনপির নেতাকর্মীদের পাশাপাশি বিপুলসংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি অংশগ্রহণ করেন।
ডেনমার্ক শাখা বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানের ইফতার-পূর্ব আলোচনা সভায় বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও ডেনমার্ক শাখা বিএনপির সভাপতি গাজী মনির আহমেদ বক্তব্য রাখেন।
তিনি বলেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান সরকার দেশকে সঠিকভাবে এগিয়ে নিয়ে যাবে। দেশে সুশাসন, ন্যায়বিচার, গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠিত হবে।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ডেনমার্ক শাখা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ওমর ফারুক, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক জিয়া হাসান, কৃষিবিদ বদিউজ্জামান শেখ মামুন, ছাত্রনেতা ইমাদ আহমেদসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতাকর্মীরা।
ইফতারের আগে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন বায়তুল মোকাররম ডেনমার্ক জামে মসজিদের পেশ ইমাম মাওলানা ওয়ালিউল্লাহ। বিশেষ মোনাজাতে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং তার ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর রুহের মাগফেরাত কামনা করা হয়।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন। কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
ফ্রান্স বাংলাদেশ জার্নালিস্টস অ্যাসোসিয়েশন (এফবিজেএ)-এর উদ্যোগে পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে ‘এফবিজেএ ইফতার ২০২৬’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (১৩ মার্চ) উত্তর প্যারিসের শহরতলি পন্তা এলাকার একটি রেস্তোরাঁয় আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে ফ্রান্সে কর্মরত বাংলাদেশি সাংবাদিক, বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং প্রবাসী কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিরা অংশ নেন। সংগঠনের মুখপাত্র ও ফরাসি গণমাধ্যম France 24–এর অভিবাসনবিষয়ক সাংবাদিক মোহাম্মদ আরিফ উল্লাহর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে কুরআন তিলাওয়াত করেন এফবিজেএ সদস্য ও ডেইলি সানের ফ্রান্স প্রতিনিধি মুমিন আনসারী। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এফবিজেএ সমন্বয়ক ও সিনিয়র সাংবাদিক মোহাম্মদ মাহবুব হোসাইন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফ্রান্স বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এম এ তাহের, বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক পার্টি (বাগপা)-এর চেয়ারম্যান কাজী আব্দুল্লাহ আল মামুন, প্রবীণ সাংবাদিক ও লেখক খান আনোয়ার, বাংলাদেশি নাগরিক পরিষদ ফ্রান্সের সভাপতি আবুল খায়ের লস্কর, ফ্রান্স বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জুনেদ আহমেদ, এনসিপি ডায়াস্পোরা এলায়েন্স ফ্রান্স শাখার আহ্বায়ক চৌধুরী মোহাম্মদ ইফতেশাম, সাংবাদিক মুহাম্মদ নুরুল ইসলাম, বাংলাদেশ প্রবাসী অধিকার পরিষদের যুগ্ম সম্পাদক হায়দার হোসাইন এবং এনসিপির সংস্কারবিষয়ক কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও পিএইচডি গবেষক ইশতিয়াক আকিব। এছাড়াও বক্তব্য দেন বাংলাদেশ কমিউনিটি ইন ফ্রান্স (বিসিএফ)-এর সেক্রেটারি নাজমুল কবির, সমাজকর্মী ও এইড পয়েন্টের পরিচালক ফয়সাল আহমেদ, জাতীয়তাবাদী যুবদল ফ্রান্স শাখার সভাপতি আহমেদ আব্দুল মালেক, এনসিপি ফ্রান্স শাখার ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিব কাউছার আহমেদ, এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক মনোয়ার হোসেন পাটোয়ারী, বিএনপি নেতা জাহিদুল ইসলাম শিপার, কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব ও ব্যবসায়ী জাকির হোসেন ও শহিদুল ইসলাম, সমাজকর্মী ও আদাফের পরিচালক ওয়াদুদ তানভীর, সোশ্যাল অ্যাক্টিভিস্ট খালেদ মাহমুদ, আজিমুল হক খান, মোহাম্মদ আরাফাত এবং সমাজকর্মী জামিল আহমেদ। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন এফবিজেএ সদস্য ও দৈনিক কালের কণ্ঠের ফ্রান্স প্রতিনিধি তানভীর আহমেদ তোহা। সংগঠনের গত এক বছরের কার্যক্রম তুলে ধরেন এফবিজেএ সহ-মুখপাত্র ও দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিন-এর ফ্রান্স প্রতিনিধি মোসাদ্দেক হোসেন সাইফুল। সংগঠনের পক্ষে বক্তব্য দেন ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাবেক অর্থ সম্পাদক সিনিয়র সাংবাদিক ও এফবিজেএর সহ-সমন্বয়ক মোহাম্মদ কামরুজ্জামান, বরেণ্য লেখক ও সাংবাদিক হাবিবুল্লাহ ফাহাদ, বাংলাভিশনের ফ্রান্স প্রতিনিধি ইয়াছির আরাফাত খোকন, দৈনিক যুগান্তরের ফ্রান্স প্রতিনিধি সরদার হাসান ইলিয়াছ তানিম এবং ডেইলি সান ও বাংলানিউজ২৪.কম-এর ফ্রান্স প্রতিনিধি মুমিন আনসারী। অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে এমসি ইনস্টিটিউটের প্রিন্সিপাল প্রফেসর বদরুল বিন হারুন দোয়া পরিচালনা করেন। দোয়া শেষে উপস্থিত অতিথিরা একসঙ্গে ইফতার করেন।
যুক্তরাজ্যের লন্ডনের ফিনসলে অবস্থিত দ্য আর্চার একাডেমি স্কুলের গভর্নর নির্বাচিত হয়েছেন ব্রিটিশ-বাংলাদেশি শিক্ষাবিদ ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সৈয়দ মহসীন আলী। সম্প্রতি অভিভাবকদের প্রত্যক্ষ ভোটে আগামী চার বছরের জন্য তিনি এ পদে নির্বাচিত হন। বিদ্যালয়ের ইতিহাসে তিনিই প্রথম মুসলিম গভর্নর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। লন্ডনের ফিনসলির বাসিন্দা সৈয়দ মহসীন আলী একাধারে একজন অপটিশিয়ান ও সফল উদ্যোক্তা। তিনি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান কসমো ফুডস-এর স্বত্বাধিকারী এবং স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন মহসীন ফাউন্ডেশন-এর পরিচালক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। পেশাগত জীবনে তিনি শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবিপ্রবি) স্কুলের সাবেক শিক্ষক ছিলেন। বিদেশে বাংলাদেশি মেধার এই স্বীকৃতি স্থানীয় বাংলাদেশি কমিউনিটিতে প্রশংসিত হয়েছে। অভিভাবকদের সরাসরি অংশগ্রহণে নির্বাচিত হয়ে তিনি আগামী চার বছর বিদ্যালয়ের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
মালদ্বীপে গেস্ট হাউসে রান্নার গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে নিহত পাঁচ বাংলাদেশির মধ্যে দুজনের মরদেহ আগামীকাল রবিবার (১৫ মার্চ) দেশে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। শনিবার (১৪ মার্চ) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানিয়েছে। এ ঘটনায় নিহতরা হলেন তাজ উদ্দিন ইসলাম, মো. সদর আলী, মো. রবিন মোল্লা, সফিকুল ইসলাম এবং মো. নূরনবী সরকার। এর মধ্যে নিহত মো. সদর আলী ও সফিকুল ইসলামের মরদেহ রবিবার বাংলাদেশে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। এ ঘটনায় আহত দুজন হলেন জামাল উদ্দিন ও সাদ্দাম হোসেন। এর আগে গত বৃহস্পতিবার রাতে মালদ্বীপের রাজধানী মালে থেকে প্রায় ১০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত ডিগুরাহ দ্বীপে একটি গেস্ট হাউসে রান্নার গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। বিস্ফোরণের পর গেস্ট হাউসের ভেতর থেকে মোট সাতজনকে গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পাঁচজনের মৃত্যু হয় এবং দুজন গুরুতর আহত হন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ঘটনার সংবাদ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বাংলাদেশ হাইকমিশন, মালে মালদ্বীপের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে দ্রুত যোগাযোগ ও সমন্বয় করে নিহতদের মরদেহ দ্রুত দেশে পাঠানোর জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। মন্ত্রণালয় আরও জানায়, এরই মধ্যে নিহতদের পরিবারের সঙ্গে হাইকমিশনার নিজে এবং দূতাবাসের পক্ষ থেকে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ করা হয়েছে এবং তাদের সর্বাত্মক সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। নিহতদের যথাযথ ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট কোম্পানির সঙ্গেও হাইকমিশন যোগাযোগ করেছে। গুরুতর আহত দুই বাংলাদেশিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য মালে শহরের একটি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে এবং তাদের চিকিৎসা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। দুর্ঘটনার পরপরই বাংলাদেশ হাইকমিশনের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে প্রয়োজনীয় সহায়তা দেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত অন্যান্য প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য বিকল্প আবাসনের ব্যবস্থাও করা হয়েছে। মালদ্বীপে বাংলাদেশের হাইকমিশনার ড. মো. নাজমুল ইসলাম আহতদের দেখতে মালের ইন্দিরা গান্ধী মেমোরিয়াল হাসপাতালে যান এবং তাদের চিকিৎসার সার্বিক খোঁজখবর নেন। হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে তিনি মর্গ পরিদর্শন করে নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান এবং মরদেহ দ্রুত দেশে পাঠানোর বিষয়টি গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানান। বাংলাদেশ হাইকমিশন, মালে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছে এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছে।