খেলাধুলা

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে আর্সেনালকে জয় উপহার দিয়েছে উলভস

আক্তারুজ্জামান ডিসেম্বর ১৪, ২০২৫

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে আর্সেনালকে জয় উপহার দিয়েছে উলভস। ম্যাচের প্রথমার্ধে বল দখল ও আক্রমণে এগিয়ে থাকলেও শেষ দিকে খেই হারাচ্ছিল আর্সেনাল। প্রথমার্ধে ছয়টি শট নিলেও একটি শটও লক্ষ্যে রাখতে পারেনি তারা।

 

বিরতির পর আর্সেনাল আক্রমণের গতি বাড়ালেও সুযোগ কাজে লাগাতে ব্যর্থ হয়। ৫৭ মিনিটে মার্তিনেল্লির শট লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। এরপর ৬৮ মিনিটে ডেক্লান রাইসের দূরপাল্লার শট প্রতিহত হয় স্যাম জনস্টেনের কাছে। 

 

ঠিক দুই মিনিট পরই আত্মঘাতী গোলে এগিয়ে যায় আর্সেনাল।ম্যাচের শেষ দিকে হেডে গোল করে উলভসকে সমতায় ফেরান নাইজেরিয়ার স্ট্রাইকার তোলু। তবে ইনজুরি সময়ে আবারও সেই আত্মঘাতী গোলে গানারদের জয় উপহার দেয় উলভস।

 

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না প্যাথলজি-রেডিওলজি রিপোর্টে সরাসরি চিকিৎসকের স্বাক্ষর বাধ্যতামূলক

প্যাথলজি ও রেডিওলজি রিপোর্টে শুধু সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের নিজ হস্তে স্বাক্ষর থাকা বাধ্যতামূলক করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। একইসঙ্গে রিপোর্টে এখন থেকে ইলেকট্রনিক বা অনলাইন স্বাক্ষর আর গ্রহণযোগ্য হবে না বলেও জানানো হয়েছে। সোমবার (৫ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ) ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এসব তথ্য জানানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ রিপোর্টে স্বাক্ষর করবেন, তিনি অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এছাড়া, লাইসেন্সের জন্য আবেদনকৃত বিশেষজ্ঞ বা মেডিকেল অফিসারের স্বাক্ষর ছাড়া কোনো রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য হবে না। এর মাধ্যমে রোগীর জন্য নির্ভরযোগ্যতা এবং স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করা হবে। আদেশে বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোকে শুধু তাদের ট্রেড লাইসেন্সে উল্লিখিত ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে। কোনো স্থাপনা বা ঠিকানা থেকে নমুনা সংগ্রহ করা নিষিদ্ধ। এমনকি অটো-জেনারেটেড বা সফটওয়্যার-ভিত্তিক রিপোর্ট থাকলে, তা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক যাচাই ও স্বাক্ষরিত না হলে গ্রহণযোগ্য হবে না। রিপোর্ট স্বাক্ষরকারী চিকিৎসকরা অবশ্যই বিএমডিসির রেজিস্টার্ড মেডিকেল গ্র্যাজুয়েট হতে হবে। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে রিপোর্টে তথ্যের সঠিকতা এবং রোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি, সব যন্ত্রপাতি ও রি-এজেন্ট ব্যবহার করার ক্ষেত্রে ২০১৫ সালের বাংলাদেশ মেডিকেল ডিভাইস রেজিস্ট্রেশন গাইডলাইন অনুসরণ করতে হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, ল্যাবগুলোর যন্ত্রপাতি নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করতে হবে। এটি পরীক্ষার ফলাফলের নির্ভুলতা বজায় রাখতে অপরিহার্য। এছাড়া ল্যাবে রেজিস্টার মেইনটেইন করা এবং সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার রেকর্ড সংরক্ষণ করাও বাধ্যতামূলক। একইসঙ্গে ল্যাবের বর্জ্য যথাযথভাবে অপসারণ করতে হবে বলেও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অধিদপ্তর বলছে, এর মাধ্যমে স্বাস্থ্যঝুঁকি এবং পরিবেশ দূষণ কমানো সম্ভব। এসব নিয়মাবলি বাস্তবায়ন করলে বেসরকারি ল্যাবগুলোকে তাদের সেবা আরও মানসম্মত করতে হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনলাইন বা অটোমেটেড রিপোর্টে ত্রুটি বা জালিয়াতির সম্ভাবনা থাকে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে রোগীর রিপোর্টে সঠিকতা নিশ্চিত হবে এবং স্বাস্থ্যসেবা আরও নিরাপদ হবে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন নিয়মাবলির উদ্দেশ্য স্বাস্থ্যসেবা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা বৃদ্ধি করা। এই পদক্ষেপ রোগীদের জন্য নিরাপদ ও মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করবে।

শুল্কমুক্ত সুবিধায় ব্যবসায়ীদের আগ্রহে ভাটা

পণ্য রপ্তানিতে বৈচিত্র্য আনতে গত সেপ্টেম্বরে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া ব্যাংক গ্যারান্টি বা নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেয় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। তবে নিয়মের কড়াকড়িতে সুবিধাটি নিতে খুব বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছে না রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো। ফলে সরকারের উদ্দেশ্য সফল হচ্ছে না। রপ্তানিও বাড়ছে না।   একাধিক রপ্তানিকারক বলছেন, ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে শুল্ক-কর ছাড়া কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দেওয়া হলেও এ ক্ষেত্রে বেশ কিছু আমলাতান্ত্রিক জটিলতা রেখে দিয়েছে এনবিআর। সে কারণে বাড়তি সময় ও অর্থ খরচের পাশাপাশি হয়রানির আশঙ্কায় ব্যবসায়ীরা এ সুবিধা নিতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না।   এদিকে ব্যবসায়ীরা খুব বেশি আগ্রহ না দেখালেও এ সুবিধা সম্প্রসারণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী নতুন করে মোটরসাইকেল, স্পিডবোট, মৎস্য প্রক্রিয়াজাত, হস্তশিল্পপণ্য, বহুমুখী পাটজাত পণ্য, ডায়াপার ও স্যানিটারি ন্যাপকিন, ক্রোকারিজ, তাঁবু, রিসাইকেলড কটন ব্যাগ এবং টেরিটাওয়েল খাতে বন্ড লাইসেন্স ছাড়া শুধু ব্যাংক নিশ্চয়তার বিপরীতে কাঁচামাল আমদানির সুযোগ বিস্তৃত করেছেন।   গত সেপ্টেম্বরে রপ্তানি খাতের জন্য এ সুবিধা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে এনবিআর। তাতে বলা হয়, শুল্কমুক্ত এ সুবিধা গ্রহণের জন্য কাঁচামাল আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানকে আমদানি করা পণ্যের ওপর কাস্টমসের পক্ষ থেকে নিরূপিত শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থের ব্যাংক নিশ্চয়তা জমা দিতে হবে।   জানতে চাইলে ফুটওয়্যার, লেদারগুডস অ্যান্ড অ্যাকসেসরিজ এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (এফএলএএক্সএ) সহসভাপতি নাছির খান প্রথম আলোকে বলেন, সরকার যে সুবিধা দিয়েছে, সেটি কাজে লাগাতে হলে কাঁচামাল আমদানির আগে ও পরে একাধিক অনুমতি নিতে হবে। শুরুতে কাঁচামাল আমদানির আগে একবার অনুমতি নিতে হবে। আবার আমদানির পর ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় করতেও অনুমতি লাগবে। এই আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে সুবিধাটি কোনো কাজে লাগছে না। সুবিধাটি কার্যকর করতে হলে মূল্য সংযোজন পদ্ধতিতে যেতে হবে। ১০০ মার্কিন ডলারের কাঁচামাল আমদানি করলে ১২০-১৩০ ডলারের রপ্তানি করতে হবে—এমন শর্তে শুল্কমুক্ত সুবিধায় কাঁচামাল আমদানির সুযোগ দিতে হবে। চীন, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া, জাপানে এ ব্যবস্থা চালু রয়েছে।   সদ্য বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে ৪৮ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়। এই রপ্তানি তার আগের বছরের তুলনায় দশমিক ৫৮ শতাংশ কম। সদ্য বিদায়ী অর্থবছরে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাট ও পাটজাত পণ্য, হোম টেক্সটাইল, প্রকৌশলপণ্য ও হিমায়িত পণ্য রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হলেও তৈরি পোশাক ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্যের রপ্তানি কমেছে।   কেন সুবিধাটি নিচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা এনবিআরের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, রপ্তানির ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় কাঁচামালের ওপর প্রযোজ্য শুল্ক–করের সমপরিমাণ অর্থ ব্যাংক নিশ্চয়তার মাধ্যমে কাস্টম হাউস বা স্টেশনে জমা দিতে হবে। প্রতি একক পণ্য উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামালের তালিকা কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট কমিশনারেটের কমিশনারের কাছে দাখিল করতে হবে। কমিশনার সেটি যাচাই-বাছাইয়ের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানে পাঠাতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে সব ব্যয় আমদানিকারককে বহন করতে হবে। এরপর কমিশনার অনুমতিপত্র দিলে কাঁচামাল আমদানি করা যাবে। তারপর পণ্য রপ্তানির পর কমিশনারের ছাড়পত্র প্রাপ্তি সাপেক্ষে ব্যাংক নিশ্চয়তার অর্থ ছাড় হবে।   প্রজ্ঞাপন জারির সময় এনবিআর আশা প্রকাশ করে বলেছিল, বন্ড লাইসেন্স না থাকা সত্ত্বেও শুল্কমুক্ত সুবিধায় পণ্য আমদানির সুযোগ দেওয়ার ফলে রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান তাদের উৎপাদন সক্ষমতার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারবে। এতে রপ্তানিযোগ্য পণ্যের বৈচিত্র্যের পাশাপাশি দেশের রপ্তানি-বাণিজ্য সম্প্রসারিত হবে।   আসবাব খাতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান হাতিলের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম এইচ রহমান বলেন, ‘সরকারের পক্ষ থেকে যে সুবিধা দেওয়া হয়েছে, সেখানে কারিগরি কিছু সমস্যা রয়েছে। ক্রয়াদেশ পাওয়ার পর অনুমতি নিয়ে কাঁচামাল আমদানি করতে হবে। আমাদের খাতে ১২-২০-২৫ হাজার ডলারের ছোট ছোট ক্রয়াদেশ আসে। ফলে বারবার অনুমতি নেওয়া খুবই কঠিন। আবার আসবাবের জন্য প্রয়োজনীয় লেকার ও বোর্ড আমদানিতে এ সুযোগ নেই। ফলে আমরা এ সুবিধার আওতায় কাঁচামাল আমদানির পথে যাইনি।’   সেলিম এইচ রহমান বলেন, রপ্তানিকারকদের আগে সহজে আমদানির এ সুযোগ দিতে হবে। তারপর কোথাও কোনো নিয়মের ব্যত্যয় হলে শাস্তি দিতে হবে। কিন্তু সুবিধা দেওয়ার আগেই হাত-পা বেঁধে রাখা হয়েছে। এ কারণে বাস্তবে এ ধরনের সুবিধা কাজে লাগছে না।   এ বিষয়ে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনবিআরের একজন কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, গত সেপ্টেম্বরে চালু হওয়ার পর অল্প কিছু প্রতিষ্ঠান সুবিধাটি নিয়েছে। যে বিধান করা হয়েছে, তাতে প্রকৃত ব্যবসায়ীরা যদি কোনো সমস্যায় পড়েন, তাহলে তা পুনর্বিবেচনার সুযোগ আছে।

খেলাধুলা

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
চ্যাম্পিয়ন্স লিগে পিএসজি-বার্সেলোনা মহারণ, যে কারণে বাড়ছে রোমাঞ্চ

নিজেদের লিগে চ্যাম্পিয়ন দুই ইউরোপীয় জায়ান্টের লড়াইটা আগে থেকেই রোমাঞ্চ ছড়াচ্ছিল। উভয়েই প্রতিপক্ষের জালে একের পর এক গোল করে চলেছে। সমান গোল ব্যবধান এবং পয়েন্ট নিয়ে তারা উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের শীর্ষ দুই অবস্থানে রয়েছে। এ ছাড়া তাদের মুখোমুখি পরিসংখ্যান, তারকা ফুটবলারের উপস্থিতি এবং বার্সা-পিএসজি উভয় দলে কোচিং করানো লুইস এনরিকে তাতে বাড়তি উত্তেজনা যোগ করেছেন।   আজ (মঙ্গলবার) দিবাগত রাত ১টায় ঘরের মাঠ পার্ক দ্য প্রিন্সেসে বার্সেলোনাকে আতিথ্য দেবে পিএসজি। ২০২৫ ক্লাব বিশ্বকাপের পর থেকে ইউরোপের শীর্ষ পাঁচ লিগের দলগুলোর মধ্যে প্রতি ম্যাচে গোল করার হিসাবে দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে রয়েছে যথাক্রমে বার্সেলোনা ও পিএসজি। কাতালানরা ৬৮ ম্যাচে ১৯২ এবং প্যারিসিয়ানরা ৬৭ ম্যাচে ১৫৪ গোল করেছে। তাদের সামনে রয়েছে কেবল বায়ার্ন মিউনিখ।   ইউরোপের পাঁচটি বড় লিগের মধ্যে ফরাসি লিগ ওয়ান–কে সবচেয়ে কম প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ প্রতিযোগিতা ধরা হয়। সাম্প্রতিক সময়ে ফরাসি ফুটবলে একচ্ছত্র আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করেছে পিএসজি। গত ১৪ মৌসুমের মধ্যে ১২ বারই তারা লিগ শিরোপা জিতেছে। বার্সেলোনাও স্পেনের শীর্ষ প্রতিযোগিতা লা লিগায় ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন। কাতালানরা গত চার মৌসুমের মধ্যে তিনবার লা লিগা জিতেছে। গত মৌসুমে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ও রানার্সআপ রিয়াল মাদ্রিদের চেয়ে ৮ পয়েন্ট এগিয়ে থেকে লিগ শেষ করেছিল হ্যান্সি ফ্লিকের দল।   পিএসজির শক্তিশালী বেঞ্চ ও স্কোয়াডের গভীরতা তাদের লিগের ম্যাচগুলোতে একসঙ্গে অনেক খেলোয়াড় বদলানোর সুযোগ করে দিয়েছে। তাতে ফল পেতে সমস্যা হচ্ছে না তাদের। বার্সেলোনাও এ মৌসুমে স্কোয়াডের গভীরতা বাড়িয়েছে। ফলে আক্রমণভাগে শক্তি বেড়েছে তাদের। চলতি মৌসুমে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ১১ ম্যাচের ১০টিতেই অন্তত তিনটি করে গোল করেছে বার্সেলোনা। এর মধ্যে ছয় ম্যাচে তাদের গোলসংখ্যা পাঁচ বা তার বেশি।     সাম্প্রতিক ব্যালন ডি’অরের দৌড়েও সমানভাবে লড়ছে ‍দুই ক্লাবের ফুটবলাররা। ২০২৫ সালের এই পুরস্কারে সেরা ১৪ খেলোয়াড়ের আটজনই ছিল পিএসজি কিংবা বার্সেলোনার। উসমান দেম্বেলে প্রথমবার ব্যালন জিতেছেন, তার ক্লাব সতীর্থ ভিতিনিয়া হয়েছেন তৃতীয়। মাঝে দ্বিতীয় স্থানে ছিলেন বার্সেলোনার তরুণ তারকা লামিনে ইয়ামাল। এবারের ব্যালন ডি’অর পুরস্কারেও একই চিত্র দেখা যেতে পারে। যেখানে স্প্যানিশ বিশ্বকাপজয়ী ইয়ামাল অন্যতম ফেভারিট। পুরস্কারটির জন্য মনোনীত ৩০ জনের ১৩ জনই বার্সা-পিএসজির।   এ ছাড়া পিএসজির কোচ স্প্যানিশ লুইস এনরিকের সঙ্গে বার্সেলোনার সম্পর্কটা দীর্ঘ দিনের। ১৯৯৬ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত ক্যাম্প ন্যুতে খেলোয়াড় হিসেবে ক্যারিয়ারের শেষে আট বছর ছিলেন কোচের ভূমিকায়। মূল দলের কোচ ছিলেন ২০১৪-১৭, ওই সময়ে জেতেন লা লিগা, কোপা দেল রে এবং ১৪-১৫ চ্যাম্পিয়ন্স লিগ। এর বাইরে গত মৌসুমেও বার্সায় খেলা ফেররান তোরেস এবার পিএসজিতে। এর আগে কাতালান ডেরা ছেড়ে প্যারিসে যুক্ত হন দেম্বেলেও।   চ্যাম্পিয়ন্স লিগের গত মৌসুমেও লিগপর্বে বার্সার মুখোমুখি হয়ে ২-১ গোলে জিতেছিল পিএসজি। শেষ পর্যন্ত টানা দ্বিতীয়বারের মতো ইউরোপসেরার মুকুট জেতে এনরিকের দল। তিন মৌসুম আগে কোয়ার্টার ফাইনালে দুই লেগ মিলিয়েও বার্সেলোনাকে হারিয়েছিল তারা। লিগটির ইতিহাসে রিয়াল মাদ্রিদের পর দ্বিতীয় দল হিসেবে টানা দুই মৌসুম শিরোপা জেতে পিএসজি। গত দুই মৌসুমে ইউরোপের শীর্ষ পাঁচ লিগের মধ্যে পিএসজি ও বার্সেলোনার মতো টানা শিরোপা জয়ের নজির রয়েছে কেবল বায়ার্ন মিউনিখের।

মোঃ ইমরান হোসেন অক্টোবর ২০, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

ভারত দলে ফেরার আশা ছাড়ছেন না শামি

ছবি: সংগৃহীত

লাইপজিগকে হারিয়ে ক্লাসিকো জয়ের অভিযানে নামতে চায় রেয়াল

ছবি: সংগৃহীত

নাঈমের ডাবল সেঞ্চুরি, আজিজুলের ১০ ছক্কায় ১৪২, জাওয়াদের ২২ বলে রেকর্ড ফিফটি

সংগৃহীত ছবি
রেটিং পয়েন্ট বাড়িয়ে ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে এগিয়ে গেল বাংলাদেশ নারী দল

ফিফার সর্বশেষ নারী ফুটবল র্যাঙ্কিংয়ে এক ধাপ উন্নতি করেছে বাংলাদেশ। ১০৭তম স্থান থেকে উঠে ১০৬তম স্থানে জায়গা করে নিয়েছেন ঋতুপর্ণারা।      মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা সর্বশেষ র‌্যাঙ্কিং প্রকাশ করেছে।       সম্প্রতি শেষ হওয়া এশিয়ান গেমসে গ্রুপ পর্বে তিনটি ম্যাচ খেলেছে বাংলাদেশ। প্রথম দুই ম্যাচে বড় ব্যবধানে হারের তিক্ত অভিজ্ঞতা হয়েছে দলের। উত্তর কোরিয়ার কাছে ১০ গোল এবং দক্ষিণ কোরিয়ার কাছে ৬ গোল হজম করেছে লাল-সবুজের মেয়েরা।     দুই ম্যাচে ১৬ গোল খেলেও রেটিং পয়েন্টে বড় ধাক্কা লাগেনি বাংলাদেশের। উত্তর কোরিয়ার বিপক্ষে পয়েন্ট কমেছে মাত্র ০.০৬, আর দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে কমেছে ০.২৮। র‌্যাঙ্কিংয়ে দুই দলের তুলনায় বাংলাদেশ প্রায় ১০০ ধাপ পিছিয়ে থাকায় পয়েন্ট হারানোর পরিমাণ ছিল কম।       বাংলাদেশের র‌্যাঙ্কিংয়ে উন্নতির পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছে মিয়ানমারের বিপক্ষে ম্যাচটি। গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে মিয়ানমারের সঙ্গে গোলশূন্য ড্র করে বাংলাদেশ। এই ড্রয়ের সুবাদে দলের রেটিং পয়েন্ট বেড়েছে ৪.৬৪। ফলে বাংলাদেশের মোট পয়েন্ট দাঁড়িয়েছে ১১৭৫.৩৫-এ।     বাড়তি এই পয়েন্টেই এক ধাপ এগিয়েছে বাংলাদেশ। অন্যদিকে, বাংলাদেশের বিপক্ষে ড্র করে র‌্যাঙ্কিংয়ে পিছিয়েছে মিয়ানমার। ম্যাচের আগে বাংলাদেশের চেয়ে ৫০ ধাপ এগিয়ে থাকা দলটির পয়েন্ট কমেছে ৫.৫৪। ৫৫তম স্থান থেকে এক ধাপ নেমে এখন ৫৬তম স্থানে রয়েছে তারা।     উল্লেখ্য, গত বছর এই মিয়ানমারকে হারিয়েই প্রথমবারের মতো এশিয়ান কাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিয়েছিল বাংলাদেশ। সেই আন্তর্জাতিক উইন্ডোতে র‌্যাঙ্কিংয়ে সবচেয়ে বেশি উন্নতি করে ফিফার শিরোনামেও এসেছিল লাল-সবুজের মেয়েরা।

মারিয়া রহমান অক্টোবর ২০, ২০২৬
মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। ছবি: সংগৃহীত

ব্যবসায়িক প্রকল্পের সঙ্গে কোনো সম্পৃক্ততা নেই: ব্যাখ্যা দিলেন মাহমুদউল্লাহ

সংগৃহীত ছবি

আইসিসির আচরণবিধি ভঙ্গ: ডিমেরিট পয়েন্ট যুক্ত হলো শেফালি ভার্মার

ছবি: সংগৃহীত

রোনালদোর বিরুদ্ধে অনুশীলনে অনীহা ও দৌড় নাানোর অভিযোগ সাবেক কোচ টেন হাগের

ছবি: সংগৃহীত
ত্রিদেশীয় সিরিজের প্রথম ম্যাচের পর পাকিস্তান-শ্রীলঙ্কার জরিমানা

ত্রিদেশীয় সিরিজের প্রথম ম্যাচে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে জয় দিয়ে আসর শুরু করেছে পাকিস্তান। তবে জয়ের আনন্দের মধ্যেই মন্থর ওভার রেটের কারণে জরিমানার মুখে পড়েছে পাকিস্তান দল। একই অপরাধে শাস্তি পেয়েছে পরাজিত শ্রীলঙ্কাও।   রাওয়ালপিন্ডিতে রবিবারের ম্যাচে লঙ্কানদের বিপক্ষে ৩৭ রানের জয় পায় পাকিস্তান। পরদিন স্লো ওভার রেটের কারণে দুই দলকে জরিমানা করেছে আইসিসি।পাকিস্তানের ক্রিকেটারদের ম্যাচ ফির ১০ শতাংশ এবং শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটারদের পাঁচ শতাংশ জরিমানা করা হয়েছে।   ন্যূনতম ওভার-রেট সংক্রান্ত অপরাধের সঙ্গে সম্পর্কিত আইসিসির আচরণবিধির ২.২২ ধারা অনুযায়ী, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোনো দল বল করতে ব্যর্থ হলে প্রতি ওভারের জন্য ক্রিকেটারদের ম্যাচ ফির পাঁচ শতাংশ জরিমানা করা হয়।   নির্ধারিত সময় বিবেচনায় নেওয়ার পর লক্ষ্যমাত্রার মধ্যে দুই ওভার কম বল করেছে পাকিস্তান। আর শ্রীলঙ্কা কম করেছে এক ওভার। অনফিল্ড আম্পায়ার আসিফ ইয়াকুব ও ওয়েন নাইটস, তৃতীয় আম্পায়ার শরফুদ্দৌলা ইবনে শহীদ এবং চতুর্থ আম্পায়ার ফয়সাল আফ্রিদি এই অভিযোগগুলো এনেছেন। ফলে শাস্তি পেয়েছে দুই দলই।   ম্যাচ রেফারি জেফ ক্রোর দেওয়া প্রস্তাবিত শাস্তি মেনে নেন পাকিস্তান অধিনায়ক শাহিন শাহ আফ্রিদি ও শ্রীলঙ্কা অধিনায়ক কুশল মেন্ডিস। ফলে আনুষ্ঠানিক শুনানির প্রয়োজন পড়েনি।

মো: দেলোয়ার হোসাইন অক্টোবর ২০, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

ফিফা সভাপতি ইনফান্তিনোকে জবাব দিতে ২ নভেম্বর পর্যন্ত সময় দিল উয়েফা

ছবি: সংগৃহীত

আফগানিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচের আগে অনুশীলনে ফিরলেন মিরাজ

সংগৃহীত ছবি

লারা-ব্র্যাডম্যানের ক্লাবে নাম লেখালেন মিজোরামের তরুণ চিন্ময় সুতার

0 Comments