অন্যান্য

ইবি শিক্ষিকা হত্যার ঘটনায় দুই শিক্ষকসহ তিনজন সাময়িক বহিষ্কার

মোঃ ইমরান হোসেন মার্চ ০৭, ২০২৬ 0
সাময়িক বরখাস্ত হওয়া শিক্ষকরা। ছবি : সংগৃহীত
সাময়িক বরখাস্ত হওয়া শিক্ষকরা। ছবি : সংগৃহীত

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) সহকারী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষক ও এক কর্মকর্তাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

 

শনিবার (৭ মার্চ) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড. মনজুরুল হক স্বাক্ষরিত পৃথক অফিস আদেশে এ তথ্য জানা যায়।

সাময়িকভাবে বরখাস্ত ব্যক্তিরা হলেন, সমাজকল্যাণ বিভাগের সাবেক কর্মচারী ও উম্মুল মু’মিনীন আয়েশা সিদ্দিকা হলের সহকারী রেজিস্ট্রার বিশ্বজিৎ কুমার বিশ্বাস, সমাজকল্যাণ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক শ্যাম সুন্দর সরকার এবং একই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হাবিবুর রহমান।

অফিস আদেশে বলা হয়, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি ও সহকারী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনা হত্যাকাণ্ডে ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ১৫৪ অনুসারে থানায় প্রাপ্ত আমলযোগ্য অপরাধের প্রাথমিক তথ্যে সমাজকল্যাণ বিভাগের সাবেক কর্মচারী ও উম্মুল মু’মিনীন আয়েশা সিদ্দিকা হলের সহকারী রেজিস্ট্রার বিশ্বজিৎ কুমার বিশ্বাস, সমাজকল্যাণ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক শ্যাম সুন্দর সরকার এবং একই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হাবিবুর রহমানের নাম উল্লেখ থাকায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের চাকুরী শৃঙ্খলা বিধির ১৫ (খ) ধারা অনুযায়ী আপনাকে গত ৫ মার্চ থেকে চাকরি থেকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হলো।

তবে বরখাস্তকালীন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি মোতাবেক তারা জীবন ধারণ ভাতা প্রাপ্ত হবেন বলে আদেশে উল্লেখ করা হয়।

এদিকে শিক্ষক আসমা সাদিয়ার হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় হিসাববিজ্ঞান ও তথ্য পদ্ধতি বিভাগের প্রফেসর ড. মিজানুর রহমানকে আহ্বায়ক এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-রেজিস্ট্রার (শিক্ষা) গোলাম মওলাকে সদস্য সচিব করে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেষ্টা প্রফেসর ড. ওবায়দুল ইসলাম, বাংলা বিভাগের প্রফেসর ড. মো. রশিদুজ্জামান এবং লালন শাহ হলের প্রভোস্ট প্রফেসর ড. গাজী আরিফুজ্জামান খান।

এদিকে শিক্ষক আসমা সাদিয়া রুনা হত্যাকাণ্ডের বিচারসহ পাঁচ দফা দাবিতে স্মারকলিপি দিয়েছে বিভাগটির শিক্ষার্থীরা। এ ছাড়া কুষ্টিয়া প্রেস ক্লাবের সামনে বেলা ১১টায় শিক্ষিকার বিচারের দাবিতে মানববন্ধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থী এবং পরিবার।

উল্লেখ্য, বুধবার (৪ মার্চ) ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মচারীর ছুরিকাঘাতে হত্যাকাণ্ডের শিকার হন সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি ও সহকারী অধ্যাপক ড. আসমা সাদিয়া রুনা। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) ইবি থানায় অভিযুক্ত কর্মচারী ফজলুর রহমানকে প্রধান আসামি করে ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন নিহতের স্বামী ইমতিয়াজুর সুলতান। পরদিন আসামি ফজলুর রহমানকে গ্রেপ্তার করার বিষয়টি নিশ্চিত করেন ইবি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অফিসার ইনচার্জ মাসুদ রানা।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

অন্যান্য

আরও দেখুন
সাময়িক বরখাস্ত হওয়া শিক্ষকরা। ছবি : সংগৃহীত
ইবি শিক্ষিকা হত্যার ঘটনায় দুই শিক্ষকসহ তিনজন সাময়িক বহিষ্কার

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) সহকারী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষক ও এক কর্মকর্তাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।   শনিবার (৭ মার্চ) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড. মনজুরুল হক স্বাক্ষরিত পৃথক অফিস আদেশে এ তথ্য জানা যায়। সাময়িকভাবে বরখাস্ত ব্যক্তিরা হলেন, সমাজকল্যাণ বিভাগের সাবেক কর্মচারী ও উম্মুল মু’মিনীন আয়েশা সিদ্দিকা হলের সহকারী রেজিস্ট্রার বিশ্বজিৎ কুমার বিশ্বাস, সমাজকল্যাণ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক শ্যাম সুন্দর সরকার এবং একই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হাবিবুর রহমান। অফিস আদেশে বলা হয়, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি ও সহকারী অধ্যাপক আসমা সাদিয়া রুনা হত্যাকাণ্ডে ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ এর ধারা ১৫৪ অনুসারে থানায় প্রাপ্ত আমলযোগ্য অপরাধের প্রাথমিক তথ্যে সমাজকল্যাণ বিভাগের সাবেক কর্মচারী ও উম্মুল মু’মিনীন আয়েশা সিদ্দিকা হলের সহকারী রেজিস্ট্রার বিশ্বজিৎ কুমার বিশ্বাস, সমাজকল্যাণ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক শ্যাম সুন্দর সরকার এবং একই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হাবিবুর রহমানের নাম উল্লেখ থাকায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের চাকুরী শৃঙ্খলা বিধির ১৫ (খ) ধারা অনুযায়ী আপনাকে গত ৫ মার্চ থেকে চাকরি থেকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হলো। তবে বরখাস্তকালীন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি মোতাবেক তারা জীবন ধারণ ভাতা প্রাপ্ত হবেন বলে আদেশে উল্লেখ করা হয়। এদিকে শিক্ষক আসমা সাদিয়ার হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় হিসাববিজ্ঞান ও তথ্য পদ্ধতি বিভাগের প্রফেসর ড. মিজানুর রহমানকে আহ্বায়ক এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-রেজিস্ট্রার (শিক্ষা) গোলাম মওলাকে সদস্য সচিব করে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেষ্টা প্রফেসর ড. ওবায়দুল ইসলাম, বাংলা বিভাগের প্রফেসর ড. মো. রশিদুজ্জামান এবং লালন শাহ হলের প্রভোস্ট প্রফেসর ড. গাজী আরিফুজ্জামান খান। এদিকে শিক্ষক আসমা সাদিয়া রুনা হত্যাকাণ্ডের বিচারসহ পাঁচ দফা দাবিতে স্মারকলিপি দিয়েছে বিভাগটির শিক্ষার্থীরা। এ ছাড়া কুষ্টিয়া প্রেস ক্লাবের সামনে বেলা ১১টায় শিক্ষিকার বিচারের দাবিতে মানববন্ধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থী এবং পরিবার। উল্লেখ্য, বুধবার (৪ মার্চ) ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মচারীর ছুরিকাঘাতে হত্যাকাণ্ডের শিকার হন সমাজকল্যাণ বিভাগের সভাপতি ও সহকারী অধ্যাপক ড. আসমা সাদিয়া রুনা। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) ইবি থানায় অভিযুক্ত কর্মচারী ফজলুর রহমানকে প্রধান আসামি করে ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন নিহতের স্বামী ইমতিয়াজুর সুলতান। পরদিন আসামি ফজলুর রহমানকে গ্রেপ্তার করার বিষয়টি নিশ্চিত করেন ইবি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা অফিসার ইনচার্জ মাসুদ রানা।

মোঃ ইমরান হোসেন মার্চ ০৭, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

তারেক রহমানের ২০তম কারাবন্দি দিবস আজ

ছবি : সংগৃহীত

নেপালে গণঅভ্যুত্থানের নেতারাই সরকার গঠন করেছে কারণ সেখানে ঢাবি নেই: সালাহউদ্দিন আম্মার

ছবি : সংগৃহীত

র‍্যাঙ্কিং সিস্টেম চালু হচ্ছে স্কুল-কলেজে: শিক্ষামন্ত্রী

কান্নাজড়িত কণ্ঠে নাসিরুদ্দিনের কাছে ধর্ষণের বিচার চান এই নারী। সংগৃহীত ছবি
নির্যাতিতা ধর্ষণের বিচার চাইলেন নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারীর কাছে

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মূখ্য সংগঠক নাসিরুদ্দিন পাটওয়ারীর কাছে ধর্ষণের বিচার চেয়েছেন এক নির্যাতিতা নারী। শুক্রবার (৬ মার্চ) বিকেলে রাজধানীর উত্তরা ফ্রেন্ডস ক্লাব মাঠে আয়োজত জাতীয় নাগরিক পার্টির ঢাকা বিভাগীয় ইফতার মাহফিলে এসে রশিদা আক্তার (৩৫) নামের ওই নারী কান্নাজড়িত কণ্ঠে ধর্ষণের বিচার চান।   এ সময় নিজেকে চলচ্চিত্র জগতের সাবেক এক খলনায়কের দ্বারা মারধর ও নির্যাতনের অভিযোগ তুলে ওই নারী নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারীকে জানান, গত বছর কুরবানীর ঈদে গাবতলী গরুর বাজারে গরু দেখতে গিয়ে ওই চলচ্চিত্রের খলনায়কের নির্দেশে তার লোকজনের দ্বারা মারধর ও এসিড নিক্ষেপের শিকার হন।   এ নিয়ে কোর্টে মামলা করায় পরবর্তীতে রশিদা আক্তারের ১৪ বছর বয়সী মেয়েকেও ধর্ষণের শিকার হতে হয়েছে বলে অভিযোগ তোলেন ওই নারী।   ইফতার মাহফিলে রাখা বক্তব্যে সারাদেশে ধর্ষণের বিরুদ্ধে কর্মসূচি দেয়ার হুঁশিয়ার দিয়ে নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী বলেন, আমরা দেখেছি, দলীয় গুণ্ডাপাণ্ডা দলীয় প্রশ্রয়ে ধর্ষণে অংশ নিচ্ছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রথম কাজ হচ্ছে বাংলাদেশে ধর্ষণ বন্ধ করা।   তিনি বলেন, আমরা স্পষ্ট করে বলতে চাই, যারা অপরাধী তাদের কোনো দল নেই। কিন্তু দলীয় পরিচয় ব্যবহার করার সুযোগ দেওয়ার কোনো চেষ্টা করবেন না। এ কারণে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীকে বলব, দ্রুত উদ্যোগ নিন।   এনসিপির ঢাকা বিভাগীয় ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, এমপি, বিশেষ অতিথি আখতার হোসেন, এমপি, দলীয় মুখপত্র আসিফ মাহমুদ সজিব ভূঁইয়া, কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলামসহ বিভিন্ন জেলা-উপজেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

মো: দেলোয়ার হোসাইন মার্চ ০৭, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

নাগরিক দায়িত্বে রোজার প্রভাব

হাসনাত আবদুল্লাহ।  ছবি : সংগৃহীত

মধ্যরাতে দুর্নীতি নিয়ে হাসনাত আবদুল্লাহর বিস্ফোরক স্ট্যাটাস

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন মো. তৌহিদ হোসেন। সংগৃহীত ছবি

শিক্ষার্থীদের তৃতীয় ভাষায় দক্ষতা থাকা জরুরি : সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

দেশের একাধিক অঞ্চলে বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস। ছবি: সংগৃহীত
দেশের একাধিক অঞ্চলে বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস

  আগামী কয়েকদিন দেশের একাধিক বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস। বিশেষ করে দেশের উত্তর ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কয়েকটি বিভাগে এ বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। শুক্রবার (৬ মার্চ) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ৫ দিনের পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, বর্তমানে একটি লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। এছাড়া মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ রয়েছে দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে। আজ শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে আগামী ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। এ সময় দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। পূর্বাভাস অনুযায়ী, শনিবার (৭ মার্চ) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর বিভাগের দু-এক জায়গায় বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এ ছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। এ সময় দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। রোববার (৮ মার্চ) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর বিভাগ, রাজশাহী বিভাগ, খুলনা বিভাগ ও বরিশাল বিভাগের দু-এক জায়গায় বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এ সময় দিন ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে। সোমবার (৯ মার্চ) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর বিভাগ, রাজশাহী বিভাগ, খুলনা বিভাগ, বরিশাল বিভাগ এবং ঢাকা বিভাগের দু-এক জায়গায় বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এ সময় দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা বিভাগ, রাজশাহী বিভাগ, রংপুর বিভাগ, খুলনা বিভাগ, বরিশাল বিভাগ, ময়মনসিংহ বিভাগ ও সিলেট বিভাগের দু-এক জায়গায় বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এ সময় দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। এছাড়া এর পরবর্তী পাঁচ দিনে দেশে বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টির প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে বলেও জানানো হয়েছে।

মারিয়া রহমান মার্চ ০৭, ২০২৬ 0
বাঁ থেকে মাহফুজ আলম ও ডা. তাজনুভা জাবীন।  ছবি : সংগৃহীত

নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মের ‘অলটারনেটিভস’ কমিটি গঠন

ঈদের পরে সরকার পতন করতে আন্দোলনের ডাক জামায়াতকর্মীর

ছবি: সংগৃহীত

ঢাবি সাংবাদিক সমিতির ইফতারে এক ছাদের নিচে সব ছাত্রসংগঠন

0 Comments