আল জারিদার বরাতে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য ডেইলি মেইল জানায়, মোজতবা খামেনিকে পুতিনের একটি প্রেসিডেন্সিয়াল প্রাসাদে রাখা হয়েছে। সেখানেই তার পায়ে ‘সফল’ অস্ত্রোপচার করা হয়।
ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতার ঘনিষ্ঠ এক ‘উচ্চপদস্থ সূত্র’ এ তথ্য পাওয়ার দাবি করেছে আল-জারিদা।
সূত্রটি জানায়, আমেরিকার অপারেশন এপিক ফিউরির শুরুতেই মোজতবা খামেনি আহত হন।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের অব্যাহত হামলার মধ্যে ইরানে তার সুচিকিৎসা করা সম্ভব হচ্ছিল না।
ইরানের আরেকটি সূত্র ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য সানকে জানায়, মোজতবা খামেনির একটি অথবা দুটি পা কেটে ফেলতে হয়েছে। তার যকৃত এবং পাকস্থলীও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সম্ভবত তিনি কোমায় আছেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই সূত্রটি জানায়, নতুন সর্বোচ্চ নেতার চিকিৎসার দায়িত্বে আছেন ইরানের অন্যতম শীর্ষ ট্রমা সার্জন মোহাম্মদ মোহাম্মদ রেজা জাফারগান্দি।
এদিকে গত শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, তার ধারণা মোজতবা আহত হয়েছেন। হেগসেথ বলেন, ‘আমরা জানি নতুন সর্বোচ্চ আহত এবং সম্ভবত অঙ্গহানির শিকার হয়েছেন।’
ইরানের কর্মকর্তারা এখন পর্যন্ত নতুন নেতা আহত হওয়ার তথ্য স্বীকার করেছেন। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেননি। যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশটির নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা দ্য টেলিগ্রাফকে বলেন, ‘মোজতবা খামেনির বিষয়ে কেউ কিছু জানেন না। তিনি জীবিত নাকি মৃত সে বিষয়েও কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য কারো কাছে নেই।’
ওই কর্মকর্তা আরো বলেন, ‘আমাদের শুধু বলা হয়েছে তিনি আহত। তিনি এখানে নেই, তাই যুদ্ধের ওপর তার কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। অধিকাংশ কমান্ডারই তার বিষয়ে কোনো তথ্য জানেন না।’