বিনোদন

আমি এই পরিশ্রম বৃথা যেতে দেব না : সুনেরাহ

মোঃ ইমরান হোসেন মার্চ ০৪, ২০২৬ 0
সুনেরাহ বিনতে কামাল । ছবি : সংগৃহীত
সুনেরাহ বিনতে কামাল । ছবি : সংগৃহীত

অল্পসময়েই নিজের অভিনয় দক্ষতা দিয়ে দর্শক জনপ্রিয়তায় উঠে আসেন অভিনেত্রী সুনেরাহ বিনতে কামাল। তবে এবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারজয়ী এই অভিনেত্রী পর্দার চরিত্র নয়, বরং ভক্তদের সামনে উন্মোচন করলেন নিজের মনের অবস্থা ও দীর্ঘ সংগ্রামের কথা ।

 

সম্প্রতি নিজের সোশ্যাল হ্যান্ডেল ফেসবুকে এক আবেগঘন পোস্টের মাধ্যমে নিজের মনের অবস্থা ও দীর্ঘ সংগ্রামের কথা ভক্তদের সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছেন এই সুন্দরী।

সুনেরাহ লিখেছেন, ‘আজ যখন আমি আয়নায় নিজের দিকে তাকালাম, নিজের চোখে এমন কিছু একটা দেখলাম যা আমার ভালো লাগেনি। এমন কিছু যা আমি নিজের মধ্যে দেখতে চাই না; তাকে বিষণ্ণতা, অসহায়ত্ব কিংবা শোক যা-ই বলুন না কেন।’

নিজের ভেতরের এই অদ্ভুত অনুভূতির বর্ণনা দিয়ে তিনি বলেন, ‘অনুভূতিটা ছিল খুব অদ্ভুত। কোনো সুনির্দিষ্ট কারণ ছিল না, কিন্তু তবুও সবকিছু ঠিকঠাক মনে হচ্ছিল না। আমি প্রতিদিন নিজের ওপর কাজ করেছি আরও ভালোভাবে বেঁচে থাকার জন্য, প্রাণশক্তিতে ভরপুর একটি আনন্দময় জীবন কাটানোর জন্য।’

অভিনেত্রী আরও জানান, তিনি নিজেকে মানসিকভাবে অনেক শক্তিশালী করে গড়ে তুলেছেন। তার জীবনের এমন কিছু সংগ্রামের পথচলা আছে যা নিয়ে তিনি সচরাচর জনসম্মুখে কথা বলেন না। তার কথায়, ‘সেই পথটা ছিল একান্তই আমার। আমি একাই সবটুকু পথ পাড়ি দিয়েছি। আর আমি এই পরিশ্রম বৃথা যেতে দেব না।’

নিজের প্রতি নিজের অঙ্গীকার ব্যক্ত করে সবশেষে তিনি বলেন, ‘আমি ঠিক করেছি, আমি হাসব এবং খুশি থাকব। এই হাসিটাই আমার সাথে মানায়। আমি সুখ এবং এক উন্নত জীবন পছন্দ করি। আমি কোনো কিছু বা অন্য কাউকে আমার থেকে এসব কেড়ে নিতে দেব না। এটা আমার নিজের কাছে নিজের প্রতিশ্রুতি।’

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

বিনোদন

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
৪১ বছর বয়সে না ফেরার দেশে টেলিভিশন অভিনেতা সিদ্ধার্থ ভেনুগোপাল

দীর্ঘদিন অসুস্থতার পর মারা গেছেন দক্ষিণ ভারতের জনপ্রিয় টেলিভিশন অভিনেতা সিদ্ধার্থ ভেনুগোপাল। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৪১ বছর।   ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি সূত্রে জানা গেছে, তিনি দীর্ঘদিন ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করছিলেন।   অভিনেত্রীর সহকর্মী মালায়ালাম অভিনেত্রী সিমা জি নায়ের সামাজিক মাধ্যমে তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেন। আবেগঘন এক পোস্টে তিনি লিখেছেন, “সব আশা ফিকে হয়ে গেল। গত দুই বছর ধরে আমি তাকে বাঁচানোর চেষ্টা করেছি। আজ ঈশ্বর তাকে কষ্ট থেকে মুক্তি দিয়েছেন।”   অভিনেতা কিশোর সত্যও সিদ্ধার্থের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং তার দীর্ঘ অসুস্থতার কথা উল্লেখ করেছেন।   কেরালার ত্রিশুর জেলার চালাকুডিতে জন্ম নেওয়া সিদ্ধার্থ ভেনুগোপাল শুরুতে উপস্থাপক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। পরে তিনি অভিনয়ে আসেন এবং “কস্তুরীমান” ও “ভাগ্যজাতকম”সহ বেশ কয়েকটি জনপ্রিয় মালায়ালাম ধারাবাহিকে কাজ করে দর্শকদের মধ্যে পরিচিতি পান।   তার মৃত্যুতে দক্ষিণ ভারতীয় টেলিভিশন অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সহকর্মী ও ভক্তরা সামাজিক মাধ্যমে তাকে স্মরণ করছেন।

আক্তারুজ্জামান এপ্রিল ১৮, ২০২৬ 0
সিডনি সুইনি ও স্কুটার ব্রাউন। ছবি: সংগৃহীত

প্রেমজীবন প্রকাশ্যে আনলেন সিডনি সুইনি

প্রীতম হাসান, তমা মির্জা ও জেফার রহমান। ফাইল ছবি।

মালয়েশিয়ায় স্টেজ মাতাতে যাচ্ছেন প্রীতম-জেফার-পূজা-তমা

সংগৃহীত ছবি।

সব পোস্ট মুছে ফেললেন রামশা খান, তবে কি অভিনয় ছাড়ছেন?

ছবি : সংগৃহীত
দুই সপ্তাহেই ‘হাওয়া’র রেকর্ড ভাঙল ‘বনলতা এক্সপ্রেস’

উত্তর আমেরিকায় (কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্র) বক্স অফিসে বাংলাদেশি সিনেমার আয়ে নতুন রেকর্ড গড়েছে তানিম নূর পরিচালিত ‘বনলতা এক্সপ্রেস’। মুক্তির মাত্র দুই সপ্তাহের মধ্যেই এতদিন পর্যন্ত শীর্ষে থাকা হাওয়ার লাইফটাইম আয় ছাড়িয়ে গেছে তারকাবহুল এ ছবিটি। আন্তর্জাতিক পরিবেশক স্বপ্ন স্কেয়ারক্রো ও বক্স অফিস কমস্কোর সূত্রে জানা গেছে, ‘হাওয়া’ উত্তর আমেরিকায় মুক্তির পর আয় করেছিল ৩ লাখ ৫৮ হাজার ডলার। অন্যদিকে, ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ মুক্তির প্রথম দুই সপ্তাহেই আয় করেছে ৩ লাখ ৬১ হাজার ডলার, যা ইতোমধ্যেই নতুন রেকর্ড হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ সিনেমার আন্তর্জাতিক পরিবেশক স্বপ্ন স্কেয়ারক্রো-এর প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ অলিউল্লাহ সজীব বলেছেন, এই সিনেমা দিয়ে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশি সিনেমা চারশো হাজারের ক্লাবে যোগ দেবে- এ স্বপ্ন দেখাই যায়। ছবির পরিচালক তানিম নূর দর্শকদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেছেন, এই অর্জন আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলা সিনেমার সম্ভাবনাকে আরো একধাপ এগিয়ে নিলে আমরা টিম হিসাবে সত্যি গর্বিত হব। তানিম নূর পরিচালিত ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ সিনেমাটি উত্তর আমেরিকায় ও যুক্তরাজ্যে মোট ২২টি থিয়েটারে তৃতীয় সপ্তাহ শুরু করেছে এই শুক্রবার। তারকাবহুল এই সিনেমায় অভিনয় করেছেন মোশাররফ করিম, চঞ্চল চৌধুরী, ইন্তেখাব দিনার, জাকিয়া বারী মম, আজমেরী হক বাঁধন, সাবিলা নূর, শরীফুল রাজ, শ্যামল মাওলা, আরেফিন জিলানী, লাবন্য চৌধুরী, মাশাসহ অনেকেই। প্রযোজনায় বুড়িগঙ্গা টকিজ। সহ-প্রযোজনায় হইচই প্রডাকশন। নিবেদক ইউসিবি। ছবির আন্তর্জাতিক পরিবেশক স্বপ্ন স্কেয়ারক্রো।সহযোগী ইউকে পরিবেশক রেভেরলি ফিল্মস।

মারিয়া রহমান এপ্রিল ১৮, ২০২৬ 0
দক্ষিণী সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির অভিনেত্রী তামান্না ভাটিয়া। ছবি: সংগৃহীত

১ কোটি রুপি ক্ষতিপূরণ চাইলেন তামান্না ভাটিয়া, যা বলল আদালত

তানজিয়া জামান মিথিলা । ছবি - সংগৃহীত

‘রকস্টার’ নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করলেন মিথিলা

শাকিব খান ও সাবিলা নূর । ছবি : সংগৃহীত

জ্বলে পর্দা, কাঁপে শহর: শাকিব খানের ঝড়

আফরান নিশো, পূজা চেরি ও চঞ্চল চৌধুরী । ছবি : সংগৃহীত
বিদেশের মাটিতে ‘দম’—বাংলার গর্জন

আমেরিকার সিনেমা বাজারে নতুন এক মাইলফলক তৈরি করল রেদওয়ান রনি পরিচালিত চলচ্চিত্র ‘দম’। দর্শকদের অভূতপূর্ব সাড়া এবং ক্রমবর্ধমান চাহিদার কারণে মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে যুক্তরাষ্ট্রে সিনেমাটির হলের সংখ্যা ৭টি থেকে বাড়িয়ে ৫০টি করা হয়েছে। আগামী ১৭ এপ্রিল থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার মোট ৫৮টি প্রেক্ষাগৃহে প্রদর্শিত হচ্ছে এই সিনেমা।   গত ১০ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্রে মুক্তি পায় ‘দম’। মুক্তির প্রথম সপ্তাহেই প্রবাসী বাংলাদেশিদের মাঝে সিনেমাটি নিয়ে ব্যাপক উন্মাদনা দেখা যায়। উত্তর আমেরিকায় সিনেমাটির পরিবেশক বায়োস্কোপ ফিল্মস-এর প্রধান নির্বাহী রাজ হামিদ জানান, প্রেক্ষাগৃহের সংখ্যা এভাবে অবিশ্বাস্য হারে বৃদ্ধি পাওয়ার একমাত্র কারণ দর্শকদের প্রবল আগ্রহ। তিনি বলেন, 'দর্শক চাহিদা ছাড়া হলের এই সংখ্যা বৃদ্ধি কোনোভাবেই সম্ভব ছিল না।' যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি ১৭ এপ্রিল থেকে কানাডার ৮টি প্রেক্ষাগৃহেও মুক্তি পেয়েছে সিনেমাটি। এসভিএফ আলফা-আই এন্টারটেইনমেন্ট লিমিটেড-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহরিয়ার শাকিল জানান, ঈদুল ফিতরে বাংলাদেশে ‘বিগেস্ট ওপেনার’ হওয়ার পর বিদেশের মাটিতেও ‘দম’ তার দাপট বজায় রেখেছে। সিনেমাটির মুক্তি উপলক্ষে নির্মাতা রেদওয়ান রনি বর্তমানে আমেরিকায় অবস্থান করছেন। সেখানে প্রদর্শনী শেষে দর্শকদের সঙ্গে প্রশ্নোত্তর পর্বেও অংশ নেন তিনি। প্রবাসীদের পাশাপাশি সিনেমাটি দেখতে প্রেক্ষাগৃহে হাজির হয়েছিলেন নির্মাতা অমিতাভ রেজা চৌধুরী, অভিনেতা আনিসুর রহমান মিলন এবং সাংবাদিক রোজিনা ইসলাম। দর্শকরা সিনেমাটির ভিজ্যুয়াল, গল্প এবং অভিনয়ের ভূয়সী প্রশংসা করছেন। বিশেষ করে আফরান নিশো, চঞ্চল চৌধুরী ও পূজা চেরীর অভিনয় দর্শকদের মুগ্ধ করেছে। অনেক দর্শকই মন্তব্য করেছেন যে, ‘দম’ কেবল একটি সিনেমা নয়, এটি বাংলা চলচ্চিত্রের জন্য একটি নতুন মাইলফলক। দীর্ঘদিন পর নির্মাণে ফিরে এমন সাফল্যে উচ্ছ্বসিত রেদওয়ান রনি। সিনেমাটি নিয়ে তিনি বলেন, যেখানেই গিয়েছি, সেখানেই আমাকে যেভাবে স্বাগত জানিয়েছেন সবাই, তা আমার কাছেস্মরণীয় হয়ে থাকবে। দম সিনেমা তথা বাংলাদেশের সিনেমার নিয়ে দর্শকদের যে এত উচ্ছ্বাস সেটা না দেখলে বিশ্বাস করা যাবে না। প্রবাসে থেকে বাংলাদেশের সিনেমা দেখার জন্য যে আকাঙক্ষা সবার মাঝে সেটা নির্মাতা হিসেবে খুবই অনুপ্রেরণাদায়ক। তাদের ভালোবাসা পেয়ে আমারও মনেহ চ্ছে ”দম” জিতে গিয়েছে।দর্শকরা ”দম”–কে জিতিয়েদিয়েছেন। উল্লেখ্য, রেদওয়ান রনির পাশাপাশি এই সিনেমার চিত্রনাট্য লিখেছেন সৈয়দ আহমেদ শাওকী, আল-আমিন হাসান নির্ঝর, মো. সাইফুল্লাহ রিয়াদ ও রবিউল আলম রবি।

মোঃ ইমরান হোসেন এপ্রিল ১৬, ২০২৬ 0
সালমান খান ও চিত্রাঙ্গদা সিং। ছবি : সংগৃহীত

সালমানের স্বভাবেই মুগ্ধ চিত্রাঙ্গদা সিং

প্রিয়াঙ্কা চোপড়া । ছবি : সংগৃহীত

কেন অভিনয় ছাড়ার কথা ভেবেছিলেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া

ধানুশ ও সারা অর্জুন । ছবি : সংগৃহীত

বড় পর্দায় নতুন জুটি, ধানুশের সঙ্গে সারা অর্জুন

0 Comments