খেলাধুলা

৮০ হাজার দর্শকের সামনে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন জাপান

আবরার আল মামুন সাহাফ মার্চ ২১, ২০২৬ 0

গ্যালারিভর্তি ৮০ হাজার অস্ট্রেলিয়ান সমর্থকের গগনবিদারী চিৎকার আর ঘরের মাঠের চেনা পরিবেশ—সবই ছিল স্বাগতিকদের অনুকূলে। এএফসি নারী এশিয়ান কাপের শিরোপা নিজেদের শোকেসেই রাখার প্রত্যয়ী ছিল অস্ট্রেলিয়া। কিন্তু অজিদের সেই উৎসবের আমেজকে বিষাদে রূপ দিয়ে শিরোপা ছিনিয়ে নিল জাপান। রোমাঞ্চকর ফাইনালে অস্ট্রেলিয়াকে ১-০ গোলে হারিয়ে এশীয় ফুটবলের শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট পরল জাপানের নারীরা।

 

খেলার শুরু থেকেই দুই দল আক্রমণ-প্রতিআক্রমণে মেতে ওঠলেও ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারিত হয় প্রথমার্ধেই। ১৭ মিনিটের মাথায় জাপানের উদীয়মান তারকা মাইকা হামানো বক্সের বাম প্রান্ত থেকে এক দুর্দান্ত কোণাকুণি শটে বল জালে জড়ান। অস্ট্রেলিয়ার গোলরক্ষক ম্যাকেঞ্জি আর্নল্ড ঝাঁপিয়েও সেই গতিময় শট আটকাতে পারেননি। এই একটি গোলই শেষ পর্যন্ত ম্যাচের ব্যবধান গড়ে দেয়।

পিছিয়ে পড়ার পর ঘরের মাঠের দর্শকদের সমর্থনে মরিয়া হয়ে লড়েছে অস্ট্রেলিয়া। দলের অন্যতম সেরা তারকা স্যাম খের বেশ কয়েকবার গোলের সুযোগ পেয়েছিলেন। কিন্তু জাপানের রক্ষণভাগ ভেদ করে গোল আদায় করা সম্ভব হয়নি। ম্যাচের শেষ দিকে ভ্যান এগমন্ডের একটি জোরালো শট জাপানি ডিফেন্ডাররা ব্লক করলে সমতায় ফেরার শেষ সুযোগটিও হাতছাড়া হয় স্বাগতিকদের।

 

পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে মাত্র একটি গোল খাওয়া জাপান ফাইনালেও দেখিয়েছে তাদের রক্ষণভাগের সামর্থ্য। বিশেষ করে দলনেতা সাকি কুমাগাইয়ের নেতৃত্বে জাপানি ডিফেন্ডাররা স্যাম খের এবং ক্যাটলিন ফোর্ডদের খুব একটা জায়গা নিতে দেননি। গোলরক্ষক ইয়ামাশিতাও গোলপোস্টের নিচে ছিলেন দুর্দান্ত।

এ নিয়ে তৃতীয়বার এশিয়ান কাপের ফাইনালে জাপানের কাছে হারল অস্ট্রেলিয়া। এর আগে ২০১৪ এবং ২০১৮ সালের ফাইনালেও একই ব্যবধানে (১-০) জাপানের কাছে হেরে শিরোপা হারিয়েছিল তারা। সিডনির এই হার অজিদের সেই পুরোনো ক্ষতের পুনরাবৃত্তিই ঘটাল।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

খেলাধুলা

আরও দেখুন
ছবি : সংগৃহীত
বের্নাবেউয়ে রেয়াল মাদ্রিদকে রুখে দিল জিরোনা

ম্যাচ জুড়ে আক্রমণে দাপট দেখাল রেয়াল মাদ্রিদ। অনেক সুযোগও পেল তারা, কিন্তু গোল মুখে খুব একটা কার্যকর হতে পারলেন না কিলিয়ান এমবাপে, ভিনিসিউস জুনিয়ররা। বিরতির পর এগিয়ে যেতে পারলেও ব্যবধান বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারল না আলভারো আরবেলোয়ার দল। তাদের মাঠে পয়েন্ট আদায় করে নিল জিরোনা।   সান্তিয়াগো বের্নাবেউয়ে শুক্রবার রাতে লা লিগার ম্যাচটি ১-১ গোলে ড্র হয়েছে। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে ফেদেরিকো ভালভের্দের চমৎকার গোলে এগিয়ে যায় রেয়াল। কিছুক্ষণ পর দুর্দান্ত গোলে সমতা টানেন তমাস লেমা। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে টানা তিন ম্যাচে জয়হীন রইল ইউরোপের সফলতম দলটি। লা লিগায় গত রাউন্ডে মায়োর্কার মাঠে ২-১ গোলে হেরেছিল রেয়াল। এরপর চ্যাম্পিয়ন্স লিগে গত মঙ্গলবার ঘরের মাঠে কোয়ার্টার-ফাইনালের প্রথম লেগে বায়ার্ন মিউনিখের বিপক্ষে একই ব্যবধানে হেরে যায় তারা। আগামী বুধবার ফিরতি লেগের আগে জয়ে ফেরা হলো না তাদের। পুরো ম্যাচে ৬১ শতাংশ পজেশন রেখে গোলের জন্য রেয়াল শট নেয় মোট ২২টি, যার ৯টি ছিল লক্ষ্যে। জিরোনার ১০ শটের ২টি লক্ষ্যে ছিল। ষষ্ঠ মিনিটে প্রথম সুযোগ পায় রেয়াল। তবে এদুয়ার্দো কামাভিঙ্গার ক্রস বক্সে ঠিকমতো নিয়ন্ত্রণে নিতে পারেননি এমবাপে। একাদশ মিনিটে আরেকটি সুযোগ পান ফরাসি তারকা। ব্রাহিম দিয়াসের পাসে দুরূহ কোণ থেকে তার শট আটকে দেন জিরোনার এক ডিফেন্ডার। চতুর্দশ মিনিটে রেয়ালের রক্ষণে ভীতি ছড়ায় জিরোনা। বক্সে ঢুকে উনাহির নেওয়া জোরাল শট দারুণভাবে এক হাতে ফিরিয়ে দেন গোলরক্ষক আন্দ্রি লুনিন। ১৯তম মিনিটে বক্সের ভেতর থেকে গোলরক্ষক বরাবর দুর্বল শট করেন ভিনিসিউস। আক্রমণে আধিপত্য ধরে রেখে ২৯তম মিনিটে আরেকটি সুযোগ তৈরি করে রেয়াল। দানি কার্ভাহালের পাসে ফেদেরিকো ভালভের্দের জোরাল কোনাকুনি শট ঝাঁপিয়ে এক হাতে ব্যর্থ করে দেন আর্জেন্টাইন গোলরক্ষক পাওলো গাসানিগা। ৪০তম মিনিটে হেডের চেষ্টায় প্রতিপক্ষের কনুইয়ের আঘাতে রক্তাক্ত হন রেয়ালের ফ্রান গার্সিয়া। কানের পাশে আঘাত পান তিনি। ফিজিওর চিকিৎসা নিয়ে চালিয়ে যান খেলা। দুই মিনিট পর আরেকবার হতাশ হতে হয় রেয়ালকে। দূরের পোস্টে এমবাপের হেড পাসে হেড লক্ষ্যে রাখতে পারেননি ভিনিসিউস। দ্বিতীয়ার্ধের ষষ্ঠ মিনিটে ক্যারিয়ারের আরেকটি চমৎকার গোলে ‘ডেডলক’ ভাঙেন ভালভের্দে। ব্রাহিম দিয়াসের পাস ধরে বক্সের বাইরে থেকে বুলেট গতির শট নেন উরুগুয়ের তারকা। বল ঠেকানোর মতোই ছিল, কিন্তু পারেনি গাসানিগা। তার হাতে লেগে জালে জড়ায় বল। রেয়ালের এগিয়ে যাওয়ার স্বস্তি অবশ্য বেশিক্ষণ থাকেনি। ৬২তম মিনিটে দুর্দান্ত গোলে জিরোনাকে সমতায় ফেরান তমাস লেমা। বক্সের বাইরে থেকে তার বাঁ পায়ের জোরাল শট ঠেকানোর সুযোগ পাননি লুনিন। লা লিগায় টানা আট ম্যাচে অন্তত একটি গোল হজম করল রেয়াল (মোট ১১টি)। ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরের পর এই প্রথম লিগে টানা এত ম্যাচে গোল খেল তারা। সেবার জিনেদিন জিদানের কোচিংয়েও টানা আট ম্যাচে রেয়ালের জালে গিয়েছিল বল (মোট ১৪ গোল)। গোল হজমের পর রেয়ালের আক্রমণের ধার কমে যায় কিছুটা। বাকি সময়ে উল্লেখযোগ্য কিছু করতে পারেনি তারা। গ্যালারি থেকে ভেসে আসছিল দুয়োধ্বনিও। ৩১ ম‍্যাচে ৭০ পয়েন্ট নিয়ে লা লিগায় দুই নম্বরে আছে রেয়াল। এক ম‍্যাচ কম খেলা বার্সেলোনা ৭৬ পয়েন্ট নিয়ে আছে চূড়ায়। এস্পানিওলের বিপক্ষে জিতে ৯ পয়েন্ট এগিয়ে যাওয়ার হাতছানি শিরোপাধারীদের সামনে।

মো: দেলোয়ার হোসাইন এপ্রিল ১১, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

সুরিয়াভানশির ব্যাটে আবার ঝড়, ১৫ বলে ফিফটি

ছবি : সংগৃহীত

২০২৮ পর্যন্ত ইউভেন্তুসের কোচ স্পালেত্তি

ছবি : সংগৃহীত

উয়েফার কাছে অভিযোগ: ক্লাবের সমর্থন পেয়ে খুশি ফ্লিক

ছবি : সংগৃহীত
বিশ্বকাপের আগে নরওয়ের নাগরিকত্ব পেলেন ইসরায়েলি বংশোদ্ভূত গোলকিপার

নরওয়ের নাগরিকত্ব পেয়েছেন বোদা/গ্লিম্টের গোলকিপার নিকিতা হাইকিন। এটি তার জন্য আসন্ন বিশ্বকাপে নরওয়ে জাতীয় দলে ডাক পাওয়ার দুয়ার খুলে দিয়েছে।   রাশিয়া থেকে অভিবাসী এক পরিবারে ইসরায়েলে জন্ম হাইকিনের। তার বয়স যখন দুই বছর, তখন তাকে নিয়ে রাশিয়ার মস্কোতে ফিরে যায় তার পরিবার। ফুটবলার হিসেবে তার বেড়ে ওঠার শুরু হয় মস্কোরই এক যুব একাডেমিতে।   ২০১৯ সালে বোদা/গ্লিম্টে যোগ দেওয়ার পর থেকে নরওয়েতে বসবাস করছেন ৩০ বছর বয়সী এই গোলকিপার। ২০২৩ সালে ইংলিশ ক্লাব ব্রিস্টল সিটিতে সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য যোগ দেওয়ায় তার এই যাত্রায় কিছুটা ছেদ পড়ে।   রাশিয়ার হয়ে বয়সভিত্তিক ফুটবলে খেলেন তিনি। বিয়ে করেন নরওয়ের নাগরিককে। পাঁচ বছর দেশটিতে বসবাসের ফলে নাগরিকত্ব লাভের প্রক্রিয়ার জন্য যোগ্য হন তিনি।   নরওয়ের শীর্ষ লিগে বোদা/গ্লিম্টের সাম্প্রতিক আধিপত্যে হাইকিনের আছে উল্লেখযোগ্য অবদান। ২০২০, ২০২১, ২০২৩ ও ২০২৪ সালে দলটির লিগ শিরোপা জয়ে তিনি রাখেন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। গত মৌসুমে লাৎসিওর বিপক্ষে টাইব্রেকারে গুরুত্বপূর্ণ সেভ করে দলকে ইউরোপা লিগের সেমি-ফাইনালে তোলেন তিনি।   এই মৌসুমে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে দলটির চমক জাগানো পারফরম্যান্সেও হাইকিনের আছে বড় অবদান। প্রাথমিক পর্বের শেষ দুই রাউন্ডে ম্যানচেস্টার সিটি ও আতলেতিকো মাদ্রিদ এবং প্লে-অফে ইন্টার মিলানকে দুই লেগেই হারায় বোদা/গ্লিম্ট। শেষ ষোলোর প্রথম লেগে তারা ৩-০ গোলে হারিয়ে দেয় স্পোর্তিংকে। তবে ফিরতি লেগে ৫-০ গোলে হেরে বিদায় নিতে হয় তাদের। আসরে দলের ১২ ম্যাচের সবকটিতে পোস্ট সামলান হাইকিন।   তার উপস্থিতি নরওয়ে কোচ সোলবাকেনের জন্য বিশ্বকাপের দল নির্বাচন নিয়ে মাথাব্যথার কারণ হবে। শুরুর একাদশে জায়গা পেতে তাকে লড়তে হবে ওরিয়ান নাইলান্ডের সঙ্গে। ৩৫ বছর বয়সী নাইলান্ড জাতীয় দলের প্রথম পছন্দের গোলকিপার, তবে স্প্যানিশ ক্লাব সেভিয়ায় নিয়মিত খেলার সুযোগ পেতে সংগ্রাম করেছেন তিনি।   নরওয়ে ফুটবল ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক কার্ল-পিটার লোয়েকেন বললেন, হাইকিনকে নরওয়ের প্রতিনিধিত্ব করার আগে কাগজপত্র সম্পন্ন করতে হবে, কেননা এক্ষেত্রে ফিফার অনুমোদন প্রয়োজন।   প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হাতে পেলেই একটি আবেদনপত্র পাঠানো হবে। ফিফা আবেদনটি অনুমোদন করার পর তিনি নরওয়ে জাতীয় দলের জন্য যোগ্য হবেন।   ১৯৯৮ সালের পর প্রথমবার বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে নরওয়ে। আগামী জুন-জুলাইয়ে যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডায় অনুষ্ঠেয় আসরের জন্য ১ জুনের মধ্যে চূড়ান্ত দল ঘোষণা করতে হবে নরওয়ে কোচকে।

মো: দেলোয়ার হোসাইন এপ্রিল ১১, ২০২৬ 0
সংগৃহীত ছবি

ফ্রান্সের বিশ্বকাপজয়ী কোচ রিয়ালের সংক্ষিপ্ত তালিকায়

সংগৃহীত ছবি

‘তামিম যদি আমার অভিজ্ঞতা চায়, অবশ্যই না করার কিছু নেই’

আইপিএলে খেলার স্বপ্ন ভঙ্গ হাসারাঙ্গার

ছবি : সংগৃহীত
দ্রুত ১২ হাজার রানের রেকর্ড বাবরের

স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতে দ্রুত ১২ হাজার রানের রেকর্ড গড়লেন পাকিস্তানের বাবর আজম। ওয়েস্ট ইন্ডিজের ক্রিস গেইলের রেকর্ড ভেঙেছেন তিনি। চলমান পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) গতরাতের ম্যাচে করাচি কিংসের বিপক্ষে ৫১ বলে অপরাজিত ৮৭ রানের ইনিংস খেলার পথে টি-টোয়েন্টিতে দ্রুত ১২ হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করেন পেশাওয়ার জালমি অধিনায়ক বাবর। ৩৩৮ ইনিংস খেলে ১২ হাজার রান পূর্ণ করেন বাবর। এতদিন এই রেকর্ডের মালিক ছিলেন গেইল। ৩৪৩ ইনিংসে ১২ হাজার রানের মালিক হয়েছিলেন ‘ইউনিভার্স বস’ গেইল। এই তালিকার তৃতীয় স্থানে থাকা ভারতের বিরাট কোহলি ৩৬০ ইনিংস ১২ হাজার রান স্পর্শ করেন। বিশ্বের ১২তম ও পাকিস্তানের দ্বিতীয় ব্যাটার হিসেবে টি-টোয়েন্টিতে ১২ হাজার রান পূর্ণ করেন বাবর।  সংক্ষিপ্ত ভার্সনে এর আগে, ওয়েস্ট ইন্ডিজের গেইল (১৪,৫৬২) ও কাইরন পোলার্ড (১৪,৪৮২), ইংল্যান্ডের অ্যালেক্স হেলস (১৪,৪৪৯)-জশ বাটলার (১৩,৯০৯) ও জেমস ভিন্স (১৩,১০২), অস্ট্রেলিয়ার ডেভিড ওয়ার্নার (১৪,১২১), ভারতের বিরাট কোহলি (১৩,৬১২) ও রোহিত শর্মা (১২,৩৬১), শোয়েব মালিক (১৩,৫৭১), দক্ষিণ আফ্রিকার কুইন্টন ডি কক (১২,৩২২) ও ফাফ ডু-প্লেসিস (১২,০৪১) রান করেছেন।   ৩৫১ ম্যাচের ৩৩৮ ইনিংসে বাবরের রান এখন ১২০৭৪।

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি এপ্রিল ১০, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

মৌসুম শেষে লিভারপুল ছাড়ছেন কিংবদন্তি রবার্টসন

ছবি: সংগৃহীত

আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ প্রস্তুতির দুই প্রতিপক্ষ চূড়ান্ত

ছবি: সংগৃহীত

এশিয়ান গেমস হকি বাছাইয়ে পঞ্চম স্থানে বাংলাদেশ

0 Comments