অর্থনীতি

২৩ মার্চ পর্যন্ত রেমিট্যান্স প্রবাহ ৭.৪ শতাংশ বৃদ্ধি

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি মার্চ ২৪, ২০২৬ 0

 বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, মার্চ মাসের ২৩ দিনে গত বছরের একই সময়ের তুলনায় রেমিট্যান্স প্রবাহ ৭.৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ২ হাজার ৮২৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে।

গত বছর একই সময়ে দেশের রেমিট্যান্স প্রবাহ ছিল ২ হাজার ৬৩৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত প্রবাসীরা ২৫ হাজার ২৮১ মিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন, যা আগের অর্থবছরের একই সময়ে ছিল ২১ হাজার ১২৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

অর্থনীতি

আরও দেখুন
ছবি: সংগৃহীত
ডিএসইতে সূচকের পতন, লেনদেন ৮২৪ কোটি টাকা ছাড়ালো

সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসে আজ দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সূচকের পতনের মধ্য দিয়ে শেষ হয়েছে লেনদেন। এদিন বাজারে মোট ৩৮৯টি কোম্পানির ২৯ কোটি ৬৩ লক্ষ ৬১ হাজার ৩৪৭টি শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের লেনদেন হয়। ডিএসই সূত্রে জানা যায়, আজ মোট লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৮২৪ কোটি ৭৬ লাখ ২ হাজার ৩০৮ টাকা। গতকালের তুলনায় লেনদেন কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে। দিন শেষে ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স ১৫.০৫ পয়েন্ট কমে ৫২৩২.৪৯ পয়েন্টে অবস্থান করছে। এছাড়া ডিএসই-৩০ সূচক ১০.৩১ পয়েন্ট কমে ১৯৮০.০১ পয়েন্টে এবং ডিএসই শরিয়াহ সূচক ২.৫২ পয়েন্ট কমে ১০৫৯.৭০ পয়েন্টে নেমে এসেছে। লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে দর বেড়েছে ১২০টির, কমেছে ২০৭টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ৬২টির শেয়ারের দর। লেনদেন হওয়া শীর্ষ ১০ কোম্পানি হলো- সামিট অ্যালায়েন্স পোর্ট, সিটি ব্যাংক, ডমিনেজ স্টিল, এপেক্স ফুটওয়্যার, খান ব্রাদার্স পিপি ওয়েভেন ব্যাগ, ইফাদ অটোস, তৌফিকা ফুডস, শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক, মীর আকতার হোসেন এবং সালভো কেমিক্যাল। দর বৃদ্ধির শীর্ষে থাকা ১০ কোম্পানি হলো-নাহি অ্যালুমিনিয়াম, ইফাদ অটোস, কাপাসিয়া টেক্সটাইল, এপেক্স স্পিনিং, বিডি অটোকার্স, আমান ফিড, প্রাইম ফাইন্যান্স ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড, এপেক্স ফুটওয়্যার, দেশবন্ধু পলিমার এবং তৌফিকা ফুডস। অন্যদিকে, দরপতনের শীর্ষ ১০ কোম্পানি হলো-হামিদ ফেব্রিক্স, ফারইস্ট ফাইন্যান্স, ইন্টারন্যাশনাল লিজিং, প্রিমিয়ার লিজিং, পিপলস লিজিং, প্রাইম ফাইন্যান্স, এমবিএল ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড, সিএপিএম বিডিবিএল মিউচুয়াল ফান্ড-১, বিআইএফসি এবং এফএএস ফাইন্যান্স।

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি এপ্রিল ২০, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সরকারের বাস্তবমুখী পদক্ষেপ : বাণিজ্যমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনায় তেলের দাম ৭.৫ শতাংশ বৃদ্ধি, বিশ্ববাজারে অস্থিরতা

ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি ‘সীমিত’ : মুক্তাদির

ছবি: সংগৃহীত
সিএসই পরিদর্শন করলেন ভারতের সহকারী হাইকমিশনার: পুঁজিবাজার উন্নয়নে সহযোগিতার আশ্বাস

চট্টগ্রামের আগ্রাবাদে অবস্থিত চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ পিএলসি (সিএসই) পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের সহকারী হাইকমিশনার ডা. রাজীব রঞ্জন। রোববার এই সফর উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠানে তিনি বাংলাদেশের পুঁজিবাজারের উন্নয়নে ভারতের সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতা বিনিময়ের আগ্রহ প্রকাশ করেন। অনুষ্ঠানে সিএসই’র চেয়ারম্যান এ. কে. এম. হাবিবুর রহমান, বোর্ড পরিচালক মেজর (অব.) এমদাদুল ইসলাম, শাহজাদা মাহমুদ চৌধুরী, নাজনীন সুলতানা এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম. সাইফুর রহমান মজুমদারসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সাক্ষাৎকালে সিএসই’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক পুঁজিবাজারের উন্নয়নকেন্দ্রিক একটি কৌশলগত পরিকল্পনা উপস্থাপন করেন। তিনি ভারতের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে বাজারের বহুমুখীকরণ এবং বিশেষ করে, পণ্যভিত্তিক ‘ডেরিভেটিভস বাজার’ ও ‘মাল্টি এসেট ক্লাস এক্সচেঞ্জ’ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে সহযোগিতা কামনা করেন। পাশাপাশি তিনি ভারতীয় ব্রোকার ও বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশের বাজারে বিনিয়োগের আমন্ত্রণ জানান। ডা. রাজীব রঞ্জন তার বক্তব্যে বলেন, ‘পুঁজিবাজার বিষয়ে ভারতের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে, যা আমরা বাংলাদেশের সঙ্গে ভাগ করে নিতে আগ্রহী। যৌথ কারিগরি সেশন ও নলেজ ট্রান্সফার প্রোগ্রামের মাধ্যমে বাংলাদেশ বিশেষত কমোডিটি ডেরিভেটিভস খাতে ভারতের দক্ষতা কাজে লাগিয়ে নিজেদের আর্থিক বাজারকে আরও উন্নত করতে পারে।’ তিনি আরও উল্লেখ করেন, মাল্টি কমোডিটি এক্সচেঞ্জ অব ইন্ডিয়া (এমসিএক্স) এবং সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ বোর্ড অব ইন্ডিয়া (এসইবিআই)-এর সফল মডেলটি সিএসই’র জন্য একটি ব্লুপ্রিন্ট হিসেবে কাজ করতে পারে। ভারত বাংলাদেশকে কেবল প্রতিবেশী নয়, বরং প্রকৃত উন্নয়ন অংশীদার হিসেবে দেখে এবং দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতা ভবিষ্যতে আরও জোরদার হবে। এ সময় সিএসই’র চেয়ারম্যান এ. কে. এম. হাবিবুর রহমান ভারতের সহকারী হাইকমিশনারকে তার মূল্যবান সময় ও প্রজ্ঞাপূর্ণ বক্তব্যের জন্য ধন্যবাদ জানান এবং দুই দেশের পুঁজিবাজারের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা আরও সুদৃঢ় করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি এপ্রিল ২০, ২০২৬ 0
ছবি: সংগৃহীত

চট্টগ্রামে দেশের প্রথম বেসরকারি কনটেইনার বন্দর ‘এমজিএইচ টার্মিনাল’ উদ্বোধন

ছবি: সংগৃহীত

পাইকারি ও খুচরা বাজারের মূল্য ব্যবধান কমাতে নিয়মিত তদারকি করা হচ্ছে: বাণিজ্য মন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত

দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদারে প্রতিশ্রুতি বাংলাদেশ ও বেলজিয়ামের

ছবি: সংগৃহীত
চট্টগ্রাম বন্দরে দুই জাহাজের জ্বালানি খালাস, জলসীমায় আরও তিন জাহাজ

দেশের জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে চট্টগ্রাম বন্দরে ডিজেলবাহী দুটি জাহাজ ভিড়েছে। বন্দরের ডলফিন জেটিতে একযোগে দুই জাহাজ থেকে জ্বালানি তেল খালাস কার্যক্রম চলছে। এছাড়া ডিজেল নিয়ে আসা আরও দুইটি এবং অকটেন নিয়ে আসা একটি জাহাজ দেশের জলসীমায় প্রবেশ করেছে। সোমবার ডলফিন জেটিতে প্রায় ৩৫ হাজার মেট্রিক টন ডিজেলবাহী ‘এমটি ওকট্রি’ এবং প্রায় ৩৩ হাজার মেট্রিক টন ডিজেলবাহী ‘এমটি কেপ বনি’ থেকে জ্বালানি খালাস করা হচ্ছে। এসব বিষয় নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের (বিপিসি) সহকারী ব্যবস্থাপক (গণসংযোগ) ফারজিন হাসান মৌমিতা। এছাড়া প্রায় ৪১ হাজার মেট্রিক টন ডিজেলবাহী জাহাজ ‘এমটি লিয়ান সং হু’, প্রায় ৩৩ হাজার মেট্রিক টন ডিজেলবাহী ‘এমটি প্যাসিফিক ইন্ডিগো’ এবং প্রায় ২৭ হাজার মেট্রিক টন অকটেনবাহী জাহাজ ‘এমটি নেভি সিয়েলো’ বাংলাদেশের জলসীমায় (বহির্নোঙরে) ঢুকেছে। তিনি জানান, জ্বালানি সংকটের মধ্যে গত ১৯ দিনে দেশীয় তিনটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে উৎপাদিত ১৫ হাজার ১৭০ টন অকটেন নিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি)। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ১১ হাজার ৬১৫ মেট্রিক টন অকটেন সরবরাহ করেছে সুপার পেট্রো পিএলসি। প্রতিষ্ঠানটি ৭ হাজার ১৭৭ টন পেট্রোল ও ১২ হাজার ৮৮৪ টন ডিজেলও দিয়েছে বিপিসিকে। পেট্রোম্যাক্স রিফাইনারি লিমিটেড অকটেন দিয়েছে ৩ হাজার ২৬৪ টন, পেট্রোল ১ হাজার ২৫৪ টন এবং ডিজেল ১ হাজার ৮৯৬ টন। অ্যাকোয়া রিফাইনারি লিমিটেড ২৯১ টন অকটেন, ৪ হাজার ১৩ টন পেট্রোল এবং ৫১৮ মেট্রিকটন ডিজেল সরবরাহ করেছে বিপিসিকে। বিপিসি’র সহকারী ব্যবস্থাপক ফারজিন হাসান মৌমিতা বলেন, জলসীমায় থাকা তিনটি জাহাজ পর্যায়ক্রমে জেটিতে ভিড়বে এবং সেগুলো থেকেও জ্বালানি খালাস করা হবে। এতে দেশের জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে বলে আশা করছে বিপিসি।

জান্নাতুল ফেরদৌস জেমি এপ্রিল ২০, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

বাণিজ্যমন্ত্রীর সাথে কানাডার হাইকমিশনারের বৈঠক

ছবি : সংগৃহীত

ডিএসইতে সূচকের মিশ্র প্রবণতা, লেনদেন ৮১৯ কোটি টাকা

ছবি : সংগৃহীত

রিহ্যাবের নতুন প্রেসিডেন্ট ড. আলী আফজাল, সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট আব্দুর রাজ্জাক

0 Comments