আন্তর্জাতিক

ঝড়ের প্রভাবে ব্রিটেনের আকাশে গোলাপি আভা

আক্তারুজ্জামান জানুয়ারী ০৯, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

স্টর্ম গোরেট্টির প্রভাবে বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় ভারী তুষারপাতের সময় ব্রিটেনের ওয়েস্ট মিডল্যান্ডস অঞ্চলের আকাশে দেখা যায় ঝলমলে গোলাপি রঙ। বিশেষ করে বার্মিংহাম শহর এবং স্ট্যাফোর্ডশায়ারের হেডনেসফোর্ড এলাকায় এই বিরল দৃশ্য নজর কাড়ে।

 

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবিতে দেখা যায়, তুষারপাতের মধ্যে আকাশজুড়ে ছড়িয়ে আছে উজ্জ্বল গোলাপি আভা। 

 

দেশটির সংবাদমাধ্যম বিবিসি'র আবহাওয়া উপস্থাপক সাইমন কিং জানান, মেঘের ঘনত্ব ও পড়তে থাকা তুষারের কারণে এমনটি হয়েছে। তিনি বলেন, বার্মিংহাম সিটির ফুটবল মাঠ সেন্ট অ্যান্ড্রুজের আলো এই রঙিন আভা তৈরির একটি উৎস হতে পারে।

 

এদিকে, হেডনেসফোর্ড টাউন ফুটবল ক্লাব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানায়, সপ্তাহের শুরুতে দেখা যাওয়া একই ধরনের আলো। 

 

 

Lord Brocket/BBC Weather Watchers A bright pink sky over snowy roofs and trees in Hednesford, Staffordshire

 

A bright pink sky over a snowy Birmingham road

 

GLMCC Pink sky above a clock tower in Birmingham city centre. The face of the clock is lit and heavy snow can be seen falling around it.

 

GLMCC Pink sky over a Morrisons supermarket in Small Heath area of Birmingham. The supermarket is lit with snow seen in its car park and a bright street light.

 

GLMCC Bright pink sky over Birmingham

Popular post
হাইকোর্টের রুল জারি, কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতি কেন অবৈধ নয়

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতিতে অনিয়ম ও অসঙ্গতির অভিযোগে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে মহামান্য হাইকোর্ট রুল জারি করেছেন। একই সঙ্গে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পদোন্নতি সংক্রান্ত যেকোনো কার্যক্রম অবৈধ হিসেবে গণ্য হবে। দেশের বৃহত্তম রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকটির ১০ম গ্রেডের পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা দীর্ঘদিন ধরে ন্যায্য পদোন্নতির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করে আসছিলেন। দাবি আদায়ে বারবার কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন ও মানববন্ধন করেও সাড়া না পেয়ে তারা শেষ পর্যন্ত আদালতের দ্বারস্থ হন। সূত্র জানায়, পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা গত বছরের ১৪ সেপ্টেম্বর (শনিবার) ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে ছুটির দিনে শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন করেন, যাতে গ্রাহকসেবা ব্যাহত না হয়। তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করে তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. শওকত আলী খান দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিন মাস পার হলেও প্রতিশ্রুত আশ্বাস বাস্তবায়িত না হওয়ায় তারা পুনরায় ওই বছরের ৩০ নভেম্বর মানববন্ধনের আয়োজন করেন। এতে সারা দেশের শাখা থেকে ১২০০–এর বেশি কর্মকর্তা অংশ নেন। পরদিন (১ ডিসেম্বর) বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী পদোন্নতির বিষয়ে মৌখিক আশ্বাস দিলে আন্দোলনকারীরা কর্মস্থলে ফিরে যান। পরে কর্মকর্তাদের জানানো হয়, সুপারনিউমারারি পদ্ধতিতে মার্চের মধ্যে পদোন্নতির বিষয়টি সমাধান করা হবে। কিন্তু এখনো তা বাস্তবায়ন হয়নি। অন্যদিকে অগ্রণী, জনতা, রূপালী ও সোনালী ব্যাংকে ইতোমধ্যে মোট ৭,৩১৬ কর্মকর্তা এই পদ্ধতিতে পদোন্নতি পেয়েছেন, যা অর্থ মন্ত্রণালয়ও অনুমোদন করেছে। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তাদের অভিযোগ, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের এই উদাসীনতা তাদের প্রতি কর্মীবান্ধবহীন মনোভাব ও কর্তৃপক্ষের অনীহারই প্রকাশ। তারা বলেন, গত বছরের ৫ আগস্ট স্বৈরাচার পতনের পর অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানে পরিবর্তন এলেও কৃষি ব্যাংকে আগের প্রশাসনিক কাঠামো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে, যা ন্যায্য দাবি আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের অভিযোগ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক ও মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন একাধিক বৈঠকে আশ্বাস দিলেও বাস্তব পদক্ষেপ না নিয়ে বরং আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী কর্মকর্তাদের হয়রানি ও নিপীড়ন করা হয়েছে। ফলে তারা বাধ্য হয়ে এ বছরের চলতি মাসে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন (রিট মামলা নং: ১৬৪২৮/২০২৫, মো. পনির হোসেন গং বনাম রাষ্ট্র ও অন্যান্য)। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চেয়েছেন, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের পদোন্নতিতে দেখা দেওয়া অনিয়ম ও অসঙ্গতি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না। পাশাপাশি আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, রুল নিষ্পত্তির আগে কোনো পদোন্নতি কার্যক্রম শুরু করা হলে তা অবৈধ ও আদালত–অবমাননার শামিল হবে। রিটে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক পদোন্নতিতে ১০৭৩ জন কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে মূখ্য কর্মকর্তা) এবং ৫১ জন মূখ্য কর্মকর্তা (ঊর্ধ্বতন মূখ্য কর্মকর্তা পদে) অনিয়মের মাধ্যমে পদোন্নতি পেয়েছেন। এদিকে জানা গেছে, পূর্বে দুর্নীতির অভিযোগে আলোচিত মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক জাহিদ হোসেন এখনো পদোন্নতি কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। পদোন্নতি–বঞ্চিত কর্মকর্তারা বলেন, হাইকোর্টের নির্দেশ অমান্য করে যদি পুনরায় অনিয়মের পথে যাওয়া হয়, তাহলে তা আদালতের অবমাননা ও রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল হবে। তারা আশা করছেন, এ বিষয়ে দ্রুত ন্যায়বিচার ও সমাধান মিলবে। 

কৃষি ব্যাংকে পদোন্নতি বিতর্ক : উদ্বেগে দুই শতাধিক কর্মকর্তা

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সাম্প্রতিক সময়ে পদোন্নতি ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। পদোন্নতিবঞ্চিত কর্মকর্তাদের একটি অরাজনৈতিক সংগঠন ‘বৈষম্য বিরোধী অফিসার্স ফোরাম’ এর কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. পনির হোসেন ও সদস্য সচিব এরশাদ হোসেনকে শৃঙ্খলাজনিত মোকদ্দমা এবং মুখ্য সংগঠক মো. আরিফ হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া মুখপাত্র তানভীর আহমদকে দুর্গম অঞ্চলে বদলি করা হয় এবং সারাদেশের দুই শতাধিক কর্মকর্তাকে ব্যাখ্যা তলব করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, মো. আরিফ হোসেনকে বরখাস্ত করার নথিতে তাকে ‘ব্যাংক ও রাষ্ট্রবিরোধী’ আখ্যা দেওয়া হয়েছে, অথচ ব্যাখ্যা তলবপত্রে বলা হয় তিনি ‘রাজনৈতিক কাজে তহবিল সংগ্রহ করেছেন।’ ফরেনসিক বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তার ব্যাখ্যাতলবের জবাব প্রদানের পরও বরখাস্ত চিঠি আগেই তৈরি করা হয়েছিল, যা অনেক কর্মকর্তার মধ্যে প্রশ্ন তোলেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, সরকারি কর্মকর্তারা যদি সংবিধান বা আইন অনুযায়ী দায়িত্ব না পালন করেন, হাইকোর্ট তাদের ক্ষমতা প্রয়োগ বা অপব্যবহার রোধের জন্য আদেশ দিতে পারে। অন্য একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানান, এ সিদ্ধান্তের পেছনে ব্যাংকের ফ্যাসিস্ট সরকারের সহযোগী একটি সিন্ডিকেট রয়েছে। মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, পদোন্নতি ও ন্যায়বিচারের জন্য আন্দোলন এবং আইনি লড়াই চলবে। ভুক্তভোগী কর্মকর্তারা শিগগিরই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধান উপদেষ্টার কাছে এ বিষয়ে প্রতিকার চাইবেন। এ ব্যাপারে মো. আরিফ হোসেন ও পনির হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।   

কৃষি ব্যাংকের ‘ভুয়া সিবিএ সভা’ ঘিরে চাঞ্চল্য

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে একটি ভুয়া কর্মচারী ইউনিয়নের সভায় জোরপূর্বক কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ করানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন ব্যাংকের ভিজিল্যান্স স্কোয়াডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ হোসেন। গত ২০ অক্টোবর প্রধান কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ নামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) নামে তারা এটির আয়োজন করে।  অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির খান ও উদ্বোধক হিসেবে জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদলের সভাপতি আনোয়ার হোসাইনকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তবে তারা প্রকাশিত খবরের মাধ্যমে ভুয়া নেতাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে অবগত হয়ে অনুষ্ঠানটি বয়কট করেন। অভিযোগ রয়েছে, তাসলিমা আক্তার লিনা হেড অফিসের বিভিন্ন দপ্তরের নারী কর্মকর্তা এবং তার স্বামী মিরাজ হোসেন পুরুষ কর্মকর্তাদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে ওই সভায় অংশগ্রহণে বাধ্য করেন। অংশগ্রহণে অস্বীকৃতি জানালে বদলি বা পদোন্নতি রোধের হুমকিও দেওয়া হয় বলে জানা গেছে। হেড অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, লিনা তার স্বামীর প্রভাব খাটিয়ে নারী সহকর্মীদের ওপর দীর্ঘদিন ধরে অনৈতিক প্রভাব বিস্তার করে আসছেন। কেউ আপত্তি জানালে মিরাজের সহযোগীরা এসে অশালীন আচরণ ও গালিগালাজ করে থাকে বলেও অভিযোগ ওঠে। এ ছাড়া, লিনা ‘উইমেনস ফোরাম’ নামে একটি সংগঠন গড়ে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তার এই কর্মকাণ্ডে অনেক নারী কর্মকর্তা বিব্রতবোধ করলেও চাকরির স্বার্থে নীরব থাকছেন। অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা গেছে, মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ সহায়তায় তাসলিমা আক্তার লিনা ও তার স্বামী মিরাজ ব্যাংকের অভ্যন্তরে প্রভাব বিস্তার করছেন। এ ঘটনায় নারী কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তারা কর্তৃপক্ষের কাছে তাসলিমা আক্তার লিনা ও মিরাজ হোসেনকে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে তাসলিমা আক্তার লিনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি নিয়ম অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করছি, অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। অন্যদিকে, মিরাজ হোসেনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

হালিম হত্যার আসামিরা পলাতক, ধামাচাপা দিচ্ছে প্রশাসন

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে সংঘটিত এজাহারভুক্ত হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ ও মিরাজ হোসেন পলাতক রয়েছেন। ব্যাংক প্রশাসন বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। খুনের শিকার কৃষি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী আব্দুল হালিম ছিলেন কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের (সিবিএ) সভাপতি। তার গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলায়। পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি স্থানীয়ভাবে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন। মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ১ নম্বর আসামি হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত পিয়ন ফয়েজ উদ্দিন আহমেদ এবং ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেনের নাম রয়েছে। তারা বর্তমানে নিজেদের সিবিএ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দাবি করে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করছেন। ব্যাংক সূত্রে গেছে, তারা চাঁদাবাজি, ঘুষ আদায় ও নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত। সূত্র জানায়, ব্যাংকের ভেতরে একটি সিন্ডিকেটের প্রভাবেই এসব আসামিরা এখনো বহাল তবিয়তে রয়েছেন। এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে আছেন মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেন। এতে আরও যুক্ত রয়েছেন ডিজিএম সৈয়দ লিয়াকত হোসেন, হাবিব উন নবী, ডিএমডি খালেকুজ্জামান জুয়েল ও ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সঞ্চিয়া বিনতে আলী। গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর রাতে মতিঝিলের বিমান অফিসের সামনে আব্দুল হালিমের মৃত্যু হয়। পরদিন সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠায়। মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক সজীব কুমার সিং সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জানান, পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে বিরোধের জেরে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং রাত ১টা ৪০ মিনিটে হাসপাতালে মারা যান। হালিমের ছেলে ফয়সাল বলেন, তার বাবা ২০১৪ সাল থেকে কৃষি ব্যাংক সিবিএর সভাপতি ছিলেন এবং বোয়ালখালী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করতেন। ইউনিয়নের নেতৃত্ব ও পদ নিয়ে সহকর্মীদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে গত নভেম্বরেই মতিঝিল থানায় একটি জিডি (নং ০৫/১১/২০২৪ - ৩৩৫) করেছিলেন তার বাবা। তিনি আরও বলেন, বুধবার রাতে আমার বাবাকে তার অফিসের সহকর্মীরা মারধর করে হত্যা করেছে। সিবিএর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ জানান, ২০১৪ সালে আমরা নির্বাচিত হই। এরপর আর কোনো নির্বাচন হয়নি। কিন্তু গত ৫ আগস্ট বিনা নির্বাচনে নতুন কমিটি ঘোষণা করে আমাদের অফিস দখল করে নেয় ফয়েজ ও মিরাজ। এ নিয়ে মামলা চলছে। মামলার তথ্য অনুযায়ী, আসামিরা অস্থায়ী জামিনে ছিলেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। এছাড়া আরও কয়েকজন পলাতক রয়েছেন—যাদের মধ্যে আছেন ড্রাইভার সাইফুল, শাহেদ, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মেহেদী ও অবসরপ্রাপ্ত ক্লিনার সিরাজ। এদিকে, মামলার ২ নম্বর আসামি মিরাজ হোসেন নৈমিত্তিক ছুটির আবেদন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। যদিও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামির নৈমিত্তিক ছুটি পাওয়ার কোনো এখতিয়ার নেই। মানবসম্পদ বিভাগের উপমহাব্যবস্থাপক এ বিষয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নন এবং নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।  কিন্তু স্থানীয় মুখ্য কার্যালয়ের প্রধান মহাব্যবস্থাপক জানান, তিনি কোনো মন্তব্য করতে চান না। কারণ ব্যবস্থাপনা পরিচালক মন্তব্য না করার নির্দেশ দিয়েছেন। ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। অভ্যন্তরীণ এই পরিস্থিতিতে কৃষি ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

কৃষি ব্যাংকে ভুয়া সিবিএ নেতাদের কোটি টাকারও বেশি চাঁদাবাজি

অভিনব কায়দায় চাঁদাবাজিতে নেমেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের একদল ভুয়া সিবিএ নেতা। অভিযোগ উঠেছে, তারা বিশেষ সাধারণ সভা আয়োজনের নামে সারা দেশের শাখাগুলো থেকে কোটি টাকারও বেশি চাঁদা আদায় করছে। তথ্যসূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিবিএ), রেজি. নং বি-৯৮৫-এর নাম ব্যবহার করে আগামী ২০ অক্টোবর ‘বিশেষ সাধারণ সভা’ শিরোনামে একটি অনুষ্ঠান আয়োজনের ঘোষণা দেয় একদল ভুয়া নেতা। এ উপলক্ষে তারা ব্যাংকের প্রায় ১ হাজার ২৫০টি ইউনিট থেকে ১০-২০ হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার উঠে। গোপন সূত্র জানায়, তাদের নিয়ন্ত্রিত লোকজন শাখা পর্যায়ে বদলি ও পদোন্নতির ভয় দেখিয়ে টাকা আদায় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উপ-মহাব্যবস্থাপক জানিয়েছেন, তারা এসব কর্মকাণ্ডে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করলেও এ সিন্ডিকেটের ভয়ে কিছু বলার সাহস পাচ্ছেন না। এ ঘটনায় ব্যাংকের মানবসম্পদ বিভাগের ডিজিএম জাহিদ হোসেনের প্রত্যক্ষ মদদ ও আস্কারায় চাঁদাবাজি চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। প্রাপ্ত আমন্ত্রণপত্রে দেখা গেছে, ভুয়া সভাপতি দাবিকারী কৃষি ব্যাংকের সাবেক পিয়ন ফয়েজ আহমেদ ও ভুয়া সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেন স্বাক্ষরিত পত্রে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উদ্বোধক হিসেবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সভাপতি আনোয়ার হোসেন এবং প্রধান বক্তা হিসেবে সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম খান নাসিমকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। কয়েকজন মহাব্যবস্থাপক জানান, তারা বিভিন্ন শাখা থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পেয়েছেন এবং বিষয়টি ব্যবস্থাপনা পরিচালক অবগত আছেন বলে জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানটি কৃষি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত হওয়ায় তারা কার্যত কিছু করতে পারছেন না। অনুসন্ধানে জানা যায়, এর আগেও একই সিন্ডিকেট শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৪তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রায় ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করেছিল। সেই টাকা তারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, চাঁদাবাজ ও তাদের মদদদাতাদের সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই। তারা বহিরাগত অনুপ্রবেশকারী। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব ভুয়া সিবিএ নেতাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও অবাঞ্ছিত ঘোষণা দাবি করেছেন। তাদের আশঙ্কা, এসব কর্মকাণ্ডের নেতিবাচক প্রভাব আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পড়তে পারে।  

আন্তর্জাতিক

আরও দেখুন
ছবি : সংগৃহীত
আন্ডারগ্রাউন্ড বাংকারে ১৪০ টন স্বর্ণ, বিশ্ব অর্থনীতিতে নতুন অধ্যায়

সুইজারল্যান্ডের আল্পস পর্বতমালার গভীরে অবস্থিত শীতল যুদ্ধের সময়কার একটি পরিত্যক্ত পারমাণবিক বাংকার এখন বিশ্ব অর্থনীতির নতুন কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। এই উচ্চ-নিরাপত্তাসম্পন্ন স্থাপনায় বিশ্বের অন্যতম বড় ক্রিপ্টোকারেন্সি প্রতিষ্ঠান ‘টেদার হোল্ডিংস’ প্রতি সপ্তাহে গড়ে এক থেকে দুই টন স্বর্ণ জমা করছে। বর্তমানে টেদারের হাতে বিশ্বের সবচেয়ে বড় স্বর্ণমজুত রয়েছে, যা অনেক দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভকেও ছাড়িয়ে গেছে। ব্লুমবার্গের সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে জানা গেছে, গত এক বছরে প্রতিষ্ঠানটি প্রায় ৭০ টনের বেশি স্বর্ণ কিনেছে এবং বর্তমানে মোট ১৪০ টন স্বর্ণ সংরক্ষিত রয়েছে, যার বাজারমূল্য প্রায় ২৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। বিশ্লেষকরা বলছেন, বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম রেকর্ড আউন্সপ্রতি ৫,২০০ ডলার ছাড়িয়ে যাওয়ার পেছনে এই বিশাল বিনিয়োগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। টেদারের প্রধান নির্বাহী পাওলো আরদোইনো এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, প্রতিষ্ঠানটি ধারাবাহিকভাবে তাদের লভ্যাংশ স্বর্ণ কেনায় বিনিয়োগ করছে এবং অচিরেই তারা বিশ্বের অন্যতম বড় ‘স্বর্ণের কেন্দ্রীয় ব্যাংক’ হিসেবে পরিচিত হবে। তিনি আরও পূর্বাভাস দিয়েছেন যে, ভবিষ্যতে ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে মার্কিন ডলারের বিকল্প হিসেবে অনেক শক্তিশালী দেশ স্বর্ণ-নির্ভর মুদ্রা ব্যবস্থার দিকে ঝুঁকবে। টেদারের এই সিদ্ধান্ত মূলত সরকারি ঋণের ওপর ক্রমবর্ধমান অবিশ্বাসের প্রতিফলন। প্রতিষ্ঠানটি পেশাদারিত্ব এবং গোপনীয়তার ক্ষেত্রে এতটাই কঠোর যে, তারা বিশ্ববিখ্যাত ব্যাংক এইচএসবিসির জ্যেষ্ঠ স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের নিয়োগ দিয়েছে। তাদের বিশাল স্বর্ণভাণ্ডার সুইজারল্যান্ডের একটি সুরক্ষিত আন্ডারগ্রাউন্ড বাংকারে স্টিলের পুরু দরজার আড়ালে সংরক্ষিত রয়েছে, যা আরদোইনো রসিকতার ছলে ‘জেমস বন্ডের আস্তানা’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। বিশ্লেষকরা বলছেন, প্রচলিত ব্যাংকিং ব্যবস্থার বাইরে টেদারের এই ‘গোল্ডেন ফোর্ট্রেস’ বা স্বর্ণের দুর্গ বিশ্ব অর্থনীতির প্রচলিত মেরুকরণকে চ্যালেঞ্জের মুখে ঠেলে দিচ্ছে। ক্রিপ্টোকারেন্সি ও ভৌত স্বর্ণের সম্মিলিত এই উদ্যোগ আগামী দিনের বৈশ্বিক মুদ্রা বাজারে একটি নতুন মোড় সৃষ্টি করতে পারে। সূত্র: দ্য টাইমস্ অব ইন্ডিয়া

শাহ মোঃ সিজু মিয়া জানুয়ারী ৩১, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

মিয়ানমারে নির্বাচনের সময় জান্তার বিমান হামলায় নিহত ১৭০ বেসামরিক

ছবি : সংগৃহীত

রাশিয়ার বদলে ভারতের তেল আমদানি নিয়ে নতুন মার্কিন উদ্যোগ

ছবি : সংগৃহীত

ইরান প্রস্তুত যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনায়, শর্ত–হুমকি নয়

ছবি : সংগৃহীত
ইমরান খানের চোখের দৃষ্টিশক্তি নিয়ে উদ্বেগ

পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের চোখের দৃষ্টি নিয়ে তাঁর দল পাকিস্তান তেহরিক-ই ইনসাফ (পিটিআই) গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। দলটির দাবি, ইমরান খান সেন্ট্রাল রেটিনাল ভেইন অক্লুশন (CRVO) নামে একটি গুরুতর চোখের সমস্যায় ভুগছেন। সময়মতো চিকিৎসা না হলে তাঁর ডান চোখের দৃষ্টি স্থায়ীভাবে নষ্ট হতে পারে।   পিটিআইয়ের বরাতে প্রকাশিত মেডিকেল রিপোর্টে বলা হয়েছে, ইমরান খানের ডান চোখের রেটিনার রক্তনালিতে ব্লকেজ তৈরি হয়েছে। এর ফলে রেটিনা থেকে রক্ত স্বাভাবিকভাবে বের হতে পারে না এবং দৃষ্টিশক্তি ধীরে ধীরে ঝাপসা হয়ে যায়। বিশেষজ্ঞদের মতে, দ্রুত এবং বিশেষায়িত হাসপাতালে চিকিৎসা না হলে চোখটি চিরতরে অন্ধ হয়ে যেতে পারে।   পিটিআইয়ের মুখপাত্র সৈয়দ জুলফিকার বুখারি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বলেছেন, এটি অত্যন্ত গুরুতর এবং দ্রুত অবনতিশীল সমস্যা। সামান্য বিলম্বও অপূরণীয় ক্ষতির কারণ হতে পারে।   তবে পিটিআই, ইমরান খানের আইনজীবী ও পরিবারের দাবি, আদালতের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও তাঁকে মাসের পর মাস চোখের বিশেষজ্ঞ দেখার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না। ইমরান খানের বোন উজমা খানম জানিয়েছেন, তিনি কয়েক সপ্তাহ ধরে ভাইকে দেখেননি এবং তাঁর শারীরিক অবস্থার বিষয়ে কোনো স্পষ্ট তথ্য জানানো হচ্ছে না।   পিটিআইয়ের উদ্বেগের পরিপ্রেক্ষিতে পাকিস্তান ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল সায়েন্সের সরকারি চিকিৎসকরা আদিয়ালা কারাগারে গিয়ে ইমরান খানকে পরীক্ষা করেন। তবে পরীক্ষার ফলাফল এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি। পাঞ্জাব সরকার জানিয়েছে, রিপোর্ট জমা পড়ার পর বিস্তারিত জানানো হবে।   পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার জানিয়েছেন, ২৪ জানুয়ারি রাতে ইমরান খানকে ইসলামাবাদের পিমস হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে প্রায় ২০ মিনিটের চিকিৎসা প্রক্রিয়া শেষে তাঁকে কারাগারে ফেরত আনা হয়। তথ্যমন্ত্রী দাবি করেছেন, ইমরান খানের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল এবং তিনি সুস্থ আছেন।   তবে পিটিআই ও দলটির নেতারা সরকারের এই বক্তব্য মানতে নারাজ। তাঁদের দাবি, কারাগারের ভেতরে CRVO-এর মতো জটিল রোগের চিকিৎসা সম্ভব নয়। বিশেষায়িত অপারেশন থিয়েটার ও অভিজ্ঞ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের প্রয়োজন। কারাবন্দী পাঁচজন পিটিআই নেতা খোলা চিঠিতে দাবি জানিয়েছেন, ইমরান খানকে তাঁর পছন্দের হাসপাতালে ভর্তি করতে হবে।   উল্লেখ্য, ইমরান খান ২০২২ সালে সংসদীয় অনাস্থা ভোটের মাধ্যমে ক্ষমতাচ্যুত হন। ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে রাওয়ালপিন্ডির আদিয়ালা কারাগারে বন্দী রয়েছেন। বর্তমানে ১৯ কোটি পাউন্ড দুর্নীতির মামলায় তিনি ১৪ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করছেন। একই মামলায় তাঁর স্ত্রী বুশরা বিবিও সাত বছরের সাজাপ্রাপ্ত।

মো: দেলোয়ার হোসাইন জানুয়ারী ৩১, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তেজনা: সামরিক ক্ষমতায় কতটা এগিয়ে ইরান?

ছবি : সংগৃহীত

নির্বাচনের জন্য নেপালকে দ্বিতীয় দফায় ২৫০ গাড়ি দিয়েছে ভারত

ছবি : সংগৃহীত

জাতিসংঘ আর্থিক সংকটে: মহাসচিব গুতেরেস সতর্ক

ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় ইসরায়েলের বন্দরে মোতায়েন মার্কিন যুদ্ধজাহাজ

ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে চলমান ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যে ইসরায়েলের ইয়ালাত বন্দরে মোতায়েন করা হয়েছে একটি মার্কিন যুদ্ধ জাহাজ। শুক্রবার ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম ‘ইয়নেট’ সেনাবাহিনীর বরাত দিয়ে নিশ্চিত করেছে।   মিশর ও জর্ডান সীমান্তের সন্নিকটে আকাবা উপসাগরে অবস্থিত এই বন্দরে মার্কিন যুদ্ধজাহাজের আগমনকে ‘পূর্বপরিকল্পিত’ বলে উল্লেখ করেছে ইয়নেট। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এটি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর মধ্যে চলমান দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতারই একটি অংশ। তবে, এই বিষয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর কাছে তাৎক্ষণিক মন্তব্য চাইলে তারা কোনো জবাব দেয়নি।   মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একদিকে যেমন ইরানের সঙ্গে আলোচনার দরজা খোলা রাখার ইঙ্গিত দিয়েছেন, অন্যদিকে মধ্যপ্রাচ্যে অতিরিক্ত সামরিক সম্পদ প্রেরণ অব্যাহত রেখেছে। এই দ্বিমুখী কৌশলের মধ্যেই ডেস্ট্রয়ারটি মোতায়েন করা হলো।    সূত্র : রয়টার্স।

মো: দেলোয়ার হোসাইন জানুয়ারী ৩১, ২০২৬ 0
ছবি : সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রে আঘাত হানতে যাচ্ছে শক্তিশালী ‘বোম্ব সাইক্লোন’

ছবি : সংগৃহীত

পাকিস্তানের বেলুচিস্তানে ৪১ ‘ভারতসমর্থিত’ সন্ত্রাসী নিহত: আইএসপিআর

ছবি : সংগৃহীত

ইরানের পারমাণবিক কেন্দ্র থেকে কর্মীদের সরানোর জন্য প্রস্তুত রাশিয়া

0 Comments